দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে ঘুরে দাঁড়াতে হয়। শত সমালোচনার জবাবে রুখে দাঁড়াতে হয়। পাশে যখন কেউ থাকে না, তখন নিজের জন্য একাই লড়ে যেতে হয়। আর নিজের জন্য, নিজের দলের জন্য সেই লড়াইটা সম্ভবত সবচেয়ে ভাল করেন রোহিত শর্মা। পরিস্থিতি কিংবা টিম ম্যানেজমেন্ট – সব কিছুই যখন তাঁর বিপক্ষে, যখন খোদ সমর্থকরাও অনেকেই তাঁর বিরুদ্ধে চলে গিয়েছেন, ঠিক তখনই রোহিত শর্মা গর্জে উঠলেন।
আহত বাঘের চেয়ে আক্রমণাত্মক আর কিছু নেই। সেই দৃশ্যের মঞ্চায়ন আরও একবার হল লর্ডসে। বিরহী নটরাজের জটায়ু ব্যাট ঝলসে উঠল আরও একবার। নয় মাস পর আরও একবার সেঞ্চুরির দেখা পেলেন রোহিত শর্মা। বিশ্বকাপের আগে কি আরও একবার নিজের জায়গাটা সুসংহত করতে পারলেন তিনি?

রোহিত শর্মা নাকি আধুনিক ক্রিকেটে অচল? রোহিত শর্মাকে নাকি আসছে বিশ্বকাপের আগেই ভারতীয় দল থেকেই ছাটাই করা হবে! এমনও শোনা যাচ্ছিল, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলতি সিরিজেই শেষ বারের মত তাঁকে দেখা যাচ্ছে জাতীয় দলে।
এই সব কিছুর জবাব রোহিত দিলেন এক হাতে। ১১০ বল খেলে করলেন ১৩৮ রান। স্ট্রাইক রেট ১২৫-এর ওপর। ইনিংসটা ছিল পাঁচটি ছক্কা আর ১৭ টি চারে সাজানো। মানে কেবল বাউন্ডারি থেকেই রান এসেছে ৯৮ টি। রোহিত শর্মাকে তাই আর অচল বলার সুযোগ নেই। বিশ্বকাপের আগে এবার অন্তত নিজেদের পরিকল্পনা নতুন করে ঝালাই করতে বাধ্য হচ্ছে ভারত।











