ফুটবল মাঠ মাস্তানির জায়গা নয়!

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই স্পেনের এরিক গার্সিয়া যেন কি একটা বলেছিলেন। তেড়ে গিয়ে পারেদেস গলা চেপে ধরেন। ধাক্কা মারেন। ওই সময় কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি এসে সরিয়ে নেন গার্সিয়াকে। ঘটনা এখানে থেমে গেলেই হত, কিন্তু তাতেও শান্ত হননি পারেদেস।

অসভ্যতা, বর্বরতা। ম্যাচ শেষে লিয়ান্দ্রো পারেদেস যা করলেন তা আসলে মাঠের সকল সৌহার্দ্রবোধকে ছাপিয়ে একটা বিরাট কলঙ্ক এঁকে দিল আর্জেন্টিনার বুকে। এমন একটা হাই ইন্টেস্টিটির ম্যাচ শেষে কথার লড়াই হবেই, কিন্তু একজনের শারীরিভাষা যখন এমন হয়, তখন তিনি আর যাই হোক ফুটবল খেলার জন্যই যোগ্য নন।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই স্পেনের এরিক গার্সিয়া যেন কি একটা বলেছিলেন। তেড়ে গিয়ে পারেদেস গলা চেপে ধরেন। ধাক্কা মারেন। ওই সময় কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি এসে সরিয়ে নেন গার্সিয়াকে। ঘটনা এখানে থেমে গেলেই হত, কিন্তু তাতেও শান্ত হননি পারেদেস।

এরপর তিনি গাভিকে রীতিমত মাটিতে ফেলে দিয়ে থিয়াগো আলমাদাকে সাথে নিয়ে মারতে উদ্যত হন। শারীরিক ভাষাটা আর যাই হোক ফুটবলারের মত ছিল না। এই ঘটনার জল এখন কতদূর গড়াবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

বিশ্বকাপের ফাইনাল হেরেছে আর্জেন্টিনা। মেজাজা হারানো স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু, তাই বলে একজন যদি বিচার বিবেচনা হারিয়ে ফেলেন, তাহলে তাঁর যাই হোক সভ্য সমাজেই বসবাস করা উচিৎ না। ফুটবল খেলা তো দূরের কথা।

Share via
Copy link