শেষ ওভারে চার ছক্কা সমেত আদায় করলেন ৩০ রান। তাওহীদ হৃদয় দ্য রিয়াল ফিনিশার। মিডল অর্ডার কিংবা টপ অর্ডার হিসেবেই আমরা যাকে চিনি, তার ভেতরেই এতদিন লুকিয়ে ছিল দানবীয় স্বভাবের ফিনিশার। এ যেন নতুন করে হৃদয়ের পুনর্জন্ম ঘটেছে।
আগের ম্যাচে ব্যাট করতে নেমেছিলেন তিন নম্বরে। ততক্ষণে ১২ ওভার পেরিয়ে গেছে। অর্থাৎ ফিনিশিং রোলের দায়িত্বটাই তাঁর ওপর দেওয়া হয়েছিল। শেষ ওভারে ১৬ রান তুলে আস্থার প্রতিদানও দিতে ভোলেননি। সবমিলিয়ে রান করেছিলেন ২১ বলে ৩৫।

কলম্বোর বিপক্ষে তিনে নয়, একেবারে ছয় নম্বরে নামলেন। ইনিংস শেষ হতে বাকি মাত্র ১০টা বল। এই কটা বল দিয়ে কী হবে, কী করবেন হৃদয়? সবাই ধরেই নিয়েছিল কিছুই না। তবে হৃদয় যা করলেন, তা অবিশ্বাস্য, অভূতপূর্ব।
আটটা বল খেললেন, নামের পাশে ৩১ রান। চার ছক্কা আর এক চারে সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ৩৮৭। শেষ ওভারেই নিয়েছেন ৩০, বাংলাদেশি কোনো ক্রিকেটার হয়ে এই কীর্তি করেননি আগে কেউ। শুধু তাই নয়, যে ছক্কাগুলো হাঁকিয়েছেন, সেটা যেন সমালোচনার বিপরীতে ছুড়ে দেওয়া তীর।

বোলারের মাথার ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে পোজটা ধরে রাখলেন, কী দুর্দান্ত! ভাষায় বর্ণনা করা দুঃসাধ্য। অফসাইডে খেলতে পারেন হৃদয়, এমন কালিমা তো আছেই। সেটার জবাব দিলেন এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে দু’খানা ছক্কা হাঁকিয়ে। শুধু কি তাই, ধীরগতির ব্যাটিংয়ের দুর্নামও তো বয়ে বেড়ান তিনি। আট বলে ৩১ রানের ইনিংস সেটার ওপরও প্রলেপ দিল বোধহয়। তাই তো বলতেই হয়, এ যে অন্য হৃদয়, ভিন্ন হৃদয়।










