শতকের অর্ধশতক থেকে আর মাত্র একটা সেঞ্চুরি দূরে এনামুল হক বিজয়। অপরাজিত ১৪৪ রান, ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। প্রায় চার ঘন্টা সাভারের উত্তপ্ত গরমে ক্রিজে ঠায় দাঁড়িয়ে, এই ম্যারাথন ইনিংস খেলেছেন বিজয়। ১৪২ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন ১১টা, ওভার বাউন্ডারি তিনটা।
টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচে শূন্য রানে ফিরলেও, পরে ঠিকই আপন ঢঙে ব্যাট করতে শুরু করেছেন। সবার আগে চলমান ডিপিএলে ৫০০ রানের মাইলফলক পার করেছেন তিনি। ৯০ এর কাছাকাছি গড় আর ১০০ এর উপর স্ট্রাইকরেটে রান করেছেন ৫৩০। এখন অবধি টুর্নামেন্ট সর্বোচ্চ রানের মালিক বিজয় সেঞ্চুরি হাকিঁয়েছেন দুইটা, ফিফটি করেছেন তিনটা।
গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে তুলে নিলেন পেশাদার ক্রিকেটে নিজের ৪৯ তম সেঞ্চুরি। নার্ভাস নাইন্টিজে গিয়ে ইদানীং অনেকটা খোলস বন্দীই হয়ে যান বিজয়। এদিনও তাই কিছুটা দেখে শুনেই সেঞ্চুরিটা নিশ্চিত করেছেন তিনি। উইকেটের সামনে কোন রকম একটু ঠেলে দিয়ে ১১২ বলে আট চার আর দুই ছক্কায় মাইলফলকে পৌছে যান বিজয়।

যদিও সেলিব্রেশনে তেমন আগ্রহ দেখা গেল না। ব্যাটটা হালকা উঁচিয়েই যেন জানান দিল, কাজ এখনো ঢের বাকি। সেঞ্চুরির পরে হাত খুলেন আবারও। দলকে জয়ের পথেই রেখেছেন ইনিংসের শুরু থেকেই। ২৮২ রানের টার্গেটে বেশ অনায়াসেই রান করে গেছেন বাইশ গজে। মেহেদী হাসান, নাইম ইসলাম, আসাদুজ্জামান পায়েলদের বল মেরিট বুঝেই দেখেশুনে বাউন্ডারি ছাড়া করেছেন গাজী গ্রুপের অধিনায়ক।
দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন এনামুল। আট ম্যাচে ছয় জয় নিয়ে এখন অবধি ডিপিএলে বুকে বুক চিতিয়ে লড়াই করে যাচ্ছেন গাজী গ্রুপ। দলে তেমন তারকা ক্রিকেটার নেই বললেই চলে। এনামুলের মন্ত্রে তাও বিজয়ী হাসির স্বপ্ন দেখছে দলটি।










