নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশ সিরিজ জিতে নিয়েছে। ঘরের মাঠে আরও এক সাফল্য ধরা দিয়েছে। তবে দুশ্চিন্তাও তো আছে। কিছু প্রশ্নের উত্তর যে এখনও পাওয়া গেল না।
বর্তমান দলে স্বস্তির জায়গা জুড়ে বোলিং, আরও সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে পেস আক্রমণ। বাংলাদেশের সাফল্যের পুরোটাই মূলত মুস্তাফিজুর রহমানদের উপর নির্ভরশীল।
একপ্রান্তে যখন স্বস্তির সুবাতাস অন্যপাশে তেমনই বিভীষিকা। যার কেন্দ্রবিন্দুতে ব্যাটিং লাইনআপ। কোনভাবেই যেন মিলছে না, সুর , তাল, লয়। অবশ্য মিলবেই কি করে, পাঁচজন ওপেনার যদি একাদশে থাকে!

তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, লিটন কুমার দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত। পাঁচজনই পরীক্ষিত ওপেনার। এদের মধ্যে শান্ত অবশ্য বেশ কিছুদিন যাবৎ তিন-চার নম্বর পজিশন বেছে নিয়েছেন নিজের জন্য। তবে বাকিরা যে কেউ নিচের দিকে ব্যাট করার জন্য পরীক্ষিত নন। আর তাতেই যত বিপত্তি।
লিটন দুই সিরিজ ধরে মিডল অর্ডারে থিতু হওয়ার চেষ্টা করছেন। সফলতা এসেছে কাগজে-কলমে। তবে শান্ত-লিটনদের জায়গা করে দিতে তাওহীদ হৃদয় হারিয়ে ফেলছেন নিজের জায়গা। তাঁকে নামতে হচ্ছে ছয় নম্বরে।
তাতেও তো সমাধান মিলছে না। টপ অর্ডার ভালো করলে মিডল অর্ডার ডাহা ফেল। আবার এর উল্টোটাও হচ্ছে। কিন্তু একসাথে ক্লিক করছে না একবারও। ক্রিকেটে সবাই সবদিন ভালো খেলবে না এটা ঠিক, তবে বাংলাদেশ যেমন খেলছে, সেটা বড় মঞ্চে বেশ বিপাকেই ফেলবে দলকে।

উদাহরণ দেওয়া যায় ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচ দিয়ে। ৪০ ওভারের আগেই বাংলাদেশ তুলে নিয়েছিল ২০০ রান। এরপর সেই স্কোরটা পরের দশ ওভারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৫-তে। এখানেই মূলত বড় দলের সাথে বাংলাদেশের পার্থক্য। যেখানে স্বাভাবিক ওয়ানডে স্টাইলে খেললেও অনায়াসে স্কোরবোর্ডে ২৯০ রান রাখা যায়।
ওপেনিং থেকে ধারাবাহিক রান আসে না, মিডল অর্ডার ফিক্সড না, ফিনিশিংয়ে ভয়াবহ সমস্যা, এমন চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে বিপাকেই পড়তে হবে বাংলাদেশকে।
Share via:











