একবার না পারিলে দেখ শতবার। কিন্তু তিলক ভার্মার শতবার চেষ্টা করবার সুযোগ কই! ব্যাটে-বলে হচ্ছিল না বলে তাকে রিটায়ার্ড আউট করায় তারই দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তিনি জানতেন পরের ম্যাচে তিনি যদি পারফরম না করেন, তবে একাদশ তিনি ছিটকে যাবেন।
দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে বাউন্স ব্যাক করা ছাড়া দ্বিতীয় কোন বিকল্প খোলা থাকে না। তিলক তাই শতবার নয়, পরের বার থেকেই ঘুরেই দাঁড়ালেন। সেই ধারা অব্যাহত দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষেও।
রায়ান রিকেলটন, সুরিয়াকুমার যাদবরা ভাল শুরু পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। নিজেদের ইনিংসকে নিয়ে যেতে পারেননি পঞ্চাশ রানের মাইলফলকের ওপারে। কিন্তু তিলক ঠিকই পেরেছেন। তার কাছে যেন প্রতিটা ম্যাচই বাঁচা মরার লড়াই।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মত বড় দলে টিকে থাকার প্রতিযোগিতা তো কম নয়! ওই যে সেদিন তিনি ব্যাটে বল ঠিকঠাক লাগাতেই পারছিলেন না, এরপরই হয়ত গোটা একটা রাত নির্ঘুম কেটেছে। এরপরই তিনি বোলারদের ঘুম কেড়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন।
দিল্লি এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের একমাত্র অপরাজিত দল। ব্যাটে-বলে পারফরম করছে দলটি। সেই দলের বোলারদের একহাত দেখে নিলেন তিলক। প্রায় ১৭৯ স্ট্রাইকরেটে একটা মারকুটে ইনিংস উপহার দিয়েছেন। সবমিলিয়ে নয়টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন, যেখানে রয়েছে তিনটি বিশাল ছক্কার মার।
৩৩ বলের ইনিংসটি থেমেছে ৫৯ রানে। তার ইনিংসের কল্যাণেই ২০০ রানের গণ্ডি পেরিয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। মুম্বাইয়েরও দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন দলটি ঘুরপাক খাচ্ছে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে। তিলক পেরেছেন বাউন্স ব্যাক করতে, মুম্বাই কি পারবে?











