বাংলাদেশের একাদশে একজন বাঁ-হাতি স্পিনার দরকার ছিল। এমন একজন বাঁ-হাতি যিনি সময় মত জ্বলে উঠতে পারেন। আর প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা বলেই, প্রয়োজনটা ছিল আরও বেশি। কারণ, শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইন আপে এক গাদা ডান হাতি ব্যাটার।
লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন খেলার জন্য প্রস্তুতই ছিলেন। কিন্তু, লেগ স্পিনার খেলানোর লোভটা সামলে ফেলল বাংলাদেশ। আর তাঁর ফলাফল হিসেবে নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই প্রথম ফাইফার নিলেন তানভির ইসলাম।
সেই ফাইফারে টানা সাত ম্যাচ হারের পর প্রথম ওয়ানডে জিতে নিল বাংলাদেশ। চলতি শ্রীলঙ্কা সফরে যে কোনো ফরম্যাটে এটাই বাংলাদেশের প্রথম জয়। জয়ের ক্ষেত্রটা তানভির ইসলাম নিজ হাতে গড়েছেন।

মিডল ওভারগুলোতে লঙ্কান ব্যাটাররা ধুকেছেন তানভির ইসলামের বিপক্ষে। একপ্রান্তে কুশল মেন্ডিস যখন পাওয়ার হিটিংয়ের অনন্য এক প্রদর্শনী গড়ছিলেন, তখন অপর প্রান্ত থেকে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
প্রথম দুই ওভারে রান দেন ২২। তারপরও দমে যাননি তানভির, আক্রমণ করা বন্ধ করেননি। তারই ফলাফল হিসেবে নিজের তৃতীয় ও চতুর্থ ওভারে ফিরিয়ে দেন নিশান মাদুশকা ও কুশল মেন্ডিসকে। সেখানেই ম্যাচে উজ্জীবিত হয়ে ফিরে আসা শ্রীলঙ্কা।
শ্রীলঙ্কা ভুল করে রানের গতি কমিয়ে ফেলে। ওভার প্রতি রান রেট কমতে শুরু করে, স্কোরবোর্ড প্রেসার বাড়তে থাকে। সেই সুযোগটা আবার নেন তানভির। ব্যাটারদের আক্রমণ করার সুযোগ দেননি, বরং শ্রীলঙ্কানরা আক্রমণ করতে গিয়ে আউট হয়ে ফিরেছেন।

প্রথম দুই ওভারে ২২ রান দেওয়া তানভির পরের আট ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১৭ রান। উইকেট পাঁচটা। ম্যাজিকটা এখানেই। এই ম্যাজিকটাই সীমিত ওভারে বাংলাদেশ দলের বাঁ-হাতি স্পিনারের শূন্যস্থান পূরণ করে ফেলল।










