ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথে পতঙ্গের হানা

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আগন্তুকদের আনাগোনায় ম্যাচ থেমেছে বহুবার। দুই দলের দ্বৈরথের মাঝে খানিকটা বিরক্ত করতে চলে এসেছিল পোকাদের দল।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আগন্তুকদের আনাগোনায় ম্যাচ থেমেছে বহুবার। সর্বশেষ বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সিরিজেও তো মাঠে ছিল সাপের উৎপাত। এবারে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে এলো একঝাক পতঙ্গ। দুই দলের দ্বৈরথের মাঝে খানিকটা বিরক্ত করতে চলে এসেছিল পোকাদের দল। খেলোয়াড়দের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিয়েছে তারা। রীতিমত ফগার মেশিন দিয়ে তাড়াতে হয়েছে পতঙ্গের পালকে।

নারী বিশ্বকাপে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। ছেলেদের এশিয়া কাপের রেশ এখানেও ছড়িয়েছে। টসের সময় হাত মেলাননি দুই দলের কাপ্তান। সুতরাং সমপরিমাণ না হোক, এই ম্যাচকে ঘিরেও ছিল উত্তাপ। সেই উত্তাপের মাঝে একঝাঁক পতঙ্গ বাড়িয়েছে বিরক্তি।

ভারতের ব্যাটিংয়ের সময় প্রেমাদাসায় তাদের উপস্থিতি। পাকিস্তানি ফিল্ডাররা হাতের রুমাল দিয়ে তাড়ানোর চেষ্টা করেছেন। ভারতীয় ব্যাটারদের মনোযোগে পোকারা ব্যঘাত ঘটিয়েছে বেশ ভালই। ব্যাট দিয়ে তাড়ানোর ব্যর্থ প্রচেষ্টা শেষে অতিষ্ট হয়ে খেলাই বন্ধ রাখা হয় বেশ কিছুক্ষণ।

এরপর রীতিমত ফগার মেশিন নিয়ে আসতে হয়েছে। গোটা মাঠ ছেয়ে ফেলা হয় কীটনাশকের ধোঁয়াতে। এর আগে কীটনাশক স্প্রে করতেও দেখা গেছে পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের। পতঙ্গের আক্রমণে বেশ কিছু খেলা বন্ধ রাখা হয়। তবে ফগার মেশিন ব্যবহারের পরও, পুরোপুরি মুক্তি মেলেনি পোকাদের হাত থেকে।

তাদের উপস্থিতির মাত্রা কমেছিল, বিরক্তের পরিমাণও সহ্য ক্ষমতার ভীতরে চলে এসেছিল। তবে পতঙ্গরা পুরো প্রথম ইনিংস জুড়েই মাঠে উপস্থিত ছিল।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link