আসছেন আকিল হোসেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল যেন দিল নাসুম আহমেদের জবাব। একেবারে কাটা দিয়েই কাটা তুলবে তারা। ম্যাচের আগেই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন আকিল। তবে প্রশ্নটা—সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে একাদশে কি থাকবেন তিনি?
মিরপুরের অদ্ভুতুড়ে উইকেটে গড়িয়েছে প্রথম ওয়ানডে। স্পিন ফ্রেন্ডলি উইকেট হবে, তা তো অনুমেয় ছিল অনেক আগেই। তবে সেটা যে স্পিনারদের স্বর্গোদ্যান হবে, তা বোধহয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবা বাংলাদেশ—দুই দলের কেউই আঁচ করতে পারেননি।
তবে প্রথম ম্যাচের পর বুঝতে পেরেছে দুই দলই। তাই তো বাংলাদেশ ১৬ সদস্যের স্কোয়াড বানিয়েছে ১৭ জনের। নাসুম আহমেদকে নেওয়া হয়েছে সিরিজের বাকি দুই ম্যাচের জন্য। স্পিনারদের উপর ভর করেই গুটি সাজাতে চায় ম্যানেজমেন্ট।

এর কয়েক ঘণ্টা পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজও তাদের প্রতিউত্তর দিয়েছে। নাসুমের ফেরার সংবাদ পেয়েই হয়তো আকিল হোসেনকে তড়িঘড়ি করে উড়িয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্যারিবীয়ানরাও বুঝেছে—এই উইকেটে পেস নয়, স্পিনই হবে ম্যাচের নির্ধারক।
আকিল অবশ্য ওয়ানডে খেলেননি প্রায় দুই বছর। শেষবার তিনি খেলেছিলেন ২০২৩ সালে। এরপর আর তাঁকে ক্যারিবীয়ানদের জাতীয় দলে দেখা যায়নি। তবে আকিলকে বাংলাদেশ সফরে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছে প্রথম ওয়ানডেতে ক্যারিবীয়ান স্পিনারদের প্রাপ্ত টার্ন।
গড়ে প্রায় ৪.৫ ডিগ্রি টার্ন আদায় করেছেন গুদাকেশ মতি, রস্টন চেজরা। বাংলাদেশের পাতা ফাঁদে তাদেরই ফেলার ব্রত নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে এই মুহূর্তে বাংলাদেশ দলে ডানহাতি ব্যাটারদের একটা আধিক্য রয়েছে। সে কারণেই আকিল হোসেনের মতো একজন কার্যকর ও অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনারকে দলে অন্তর্ভুক্ত করতে এক প্রকার বাধ্য হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাছাড়া টি-টোয়েন্টি দলের জন্য তো তিনি নিশ্চিতভাবেই বিবেচিত হতেন।

তবে উড়ে আসলেও একাদশে জায়গা করে নিতে পারবেন কি না, সেটা নিয়েও রয়েছে সংশয়। ভ্রমণ ক্লান্তি তো থাকছেই, সেই সঙ্গে দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে না থাকার ফলে মানিয়ে নেওয়াটাও একটু কঠিনই হবে। তবুও এসব ছাপিয়ে নিশ্চয় তাঁকে স্পিনিং ট্র্যাকে কাজে লাগাতে চাইবে উইন্ডিজ। নাসুমদের সঙ্গে সমান তালে লড়ার আভাসটা যে ইতিমধ্যেই দিয়েছে তারা।
Share via:











