বাংলাদেশ ফুটবল জাগরনের পালে বাড়তি হাওয়া যোগ করতে আসতে চলেছেন ট্রেভর ইসলাম। যিনি হতে পারেন দলের গোল সমস্যার সবচেয়ে বড় সমাধান। দেশের হয়ে খেলতে রাজী হয়েছেন তিনি, আসার জন্য শুরু করেছেন সবরকম প্রস্তুতি।
ট্রেভর ইসলামের জন্ম ও বেড়ে ওঠা আমেরিকায়। বাবা সলিম ইসলাম বাংলাদেশি। আমেরিকার আলো বাতাসে বড় হলেও দেশের কথা ভোলেননি ট্রেভর। ফুটবলের প্রতি আগ্রহটা ছোটবেলায় থেকে, গোল করার প্রতিও তীব্র নেশা। ক্ষীপ্রতা, বিচক্ষণতা এবং পারফেকশনের মিশেলে নিজেকে প্রস্তুত করছেন নিঁখুত নাম্বার নাইন হিসেবে।
বয়সটা সবে ২০। বর্তমানে ইউনিভার্সিটি লিগে স্ট্যামফোর্ড মেনস সকার ক্লাবের হয়ে খেলছেন। ২১ ম্যাচে ইতিমধ্যেই করেছেন ২১ গোল, আছে বেশ কিছু অ্যাসিস্টও। তাই তো ‘ফক্স ইন দ্য বক্স’ হিসেবে যেকোন প্রতিপক্ষের জন্য হুমকি হতে পারেন তিনি।

একই লিগ থেকে উঠে এসেছেন জায়ান আহমেদও। অভিষেকে স্বল্প সময় সুযোগ পেলেও দেখিয়েছেন নিজের কার্যক্ষমতা। এবার ট্রেভর আসলে বাংলাদেশ পেতে যাচ্ছে আরও এক প্রতিভা।
হামজা চৌধুরী, সামিত সোমরা আসাতে দেশের ফুটবলের চিত্র বদলেছে, তবে সব সমস্যার সমাধান এখনও মেলেনি। দলের মূল সমস্যা ভালো মানের স্ট্রাইকার না থাকা। হামজা-সামিত-জামালদের বাড়ানো বল নিঁখুত ফিনিশিংয়ে জালে পাঠানোর জন্য একজন দরকার। এখানেই বাজির ঘোড়া হতে পারেন ট্রেভর।
শুধু ডি বক্সে কারিকুরি করা নই, তাঁর রয়েছে আরও কিছু বিশেষ গুণ। রাইট উইংয়েও নিজের সক্ষমতার জানান দিয়েছেন অনেকবারই। শুধু তাই নয়, দলের প্রয়োজনে এটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবেও পারদর্শিতা দেখাতে পারেন তিনি। অর্থাৎ শুধু বল পেলে গোল করা নয়, বরং গোলের জন্য বল বানিয়ে নেওয়াতেও তাঁর জুড়ি মেলা ভার।

ইতিমধ্যেই নিজের পাসপোর্ট করার জন্য বাবার পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন তিনি। বাকী প্রক্রিয়া চলমান। যার দায়িত্বে রয়েছে কনফিয়েঞ্জা স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দ্রুতই লাল-সবুজ জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন তিনি। এখন অপেক্ষাটা কেবল তাঁর আগমনের।











