আফগানদের সামনে দাঁড়াতেই পারল না বাংলাদেশ!

২৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪০ রানেই ছয় উইকেট হারাল বাংলাদেশ। এরপর আর ম্যাচের কিছু বাকি থাকে না। তবুও আবদুল্লাহ মান বাঁচানোর চেষ্টা করলেন। ৯৫ রানের ইনিংস খেলে দলকে কোনমতে পার করালেন ২০০ রানের গণ্ডি।

২৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪০ রানেই ছয় উইকেট হারাল বাংলাদেশ। এরপর আর ম্যাচের কিছু বাকি থাকে না। তবুও আবদুল্লাহ মান বাঁচানোর চেষ্টা করলেন। ৯৫ রানের ইনিংস খেলে দলকে কোনমতে পার করালেন ২০০ রানের গণ্ডি।

আফগানিস্তানের যুবারা আগে ব্যাট করতে নেমে ফয়সাল খান এবং উজাইরুল্লাহ নিয়াজীর ব্যাটে বড় সংগ্রহের পথেই হাঁটছিল। ইকবাল হোসেন ইমন নিয়াজীকে থামিয়ে দেন ৭২ রানেই। তবে ফয়সালকে থামানো যায়নি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১১২ রানের অনবদ্য এক নক।

তবে ইমন যেন বল হাতে আবারও ত্রাতা হয়ে আসেন। আফগানদের রানের লাগাম টেনে ধরেন একা হাতে। ৯.৩ ওভারে ৫১ রানের বিনিময়ে নেন ছয় উইকেট। আর তাতেই শেষটাতে আফগানিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৫৮ রান।

বাংলাদেশের টপ অর্ডার প্রতিনিয়ত ব্যর্থতার স্বাক্ষর রেখে চলছে। রান করা তো দূরে থাক, দলের চাপ বাড়াতে পালন করছে বিশেষ ভূমিকা। আজও ব্যতিক্রম হলো না। আজিজুল হাকিম তামিম, রিফাত বেগ, জাওয়াদ আবরার— সবাই মিলে দলকে ডোবানোর শুরুটা করেছিলেন। এই সিরিজে মিডল অর্ডারটাই ভরসা হয়েছিল বাংলাদেশের। তবে কালাম সিদ্দিকী, রিজান হোসেনরা আজ আর পারলেন না।

ফলাফল— বাংলাদেশ ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলে মাত্র ৪০ রানের মাথায়। একটা লজ্জার হার হাতছানি দিচ্ছিল বাংলাদেশের সামনে। সেখান থেকে মান বাঁচালেন দেবাশিস এবং আবদুল্লাহ। দুজনের ১০৮ রানের জুটিটা সম্মানহানি হতে দেয়নি বাংলাদেশের।

দেবাশিস ৫১ রান করেই ফিরে যান সাজঘরে। তবে সঙ্গীহীন আবদুল্লাহর ব্যাট চলতে থাকল। সান্ত্বনাসূচক একটা সেঞ্চুরির আভাস পাওয়া গেলেও শেষপর্যন্ত সেটাও ধুলিসাৎ হলো। ৯৫ রান করে অবশেষে ফিরতে হলো তাঁকেও। আফগানরা জয় পেল ৪৭ রানের ব্যবধানে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link