গৌতম গম্ভীরের জেদের খেসারত দিতে হলো ভারতকে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে শোচনীয় পরাজয় বরণ করতে হলো স্রেফ গম্ভীরের চাহিদা মাফিক উইকেট বানানোর জন্য। নিজেদের পাতা সেই ফাঁদে, নিজেরাই কুপোকাত! যা সমালোচনার মুখে গম্ভীরকে ফেলল আরও একবার।
ইডেনে পাঁচ দিনের প্রত্যাশা ছিল। প্রত্যাশা ছিল ব্যাট-বলের তুমুল লড়াইয়ের। কিন্তু বাস্তব চিত্র? মাত্র তিন দিনের আগেই পরিসমাপ্তি। যে ম্যাচ কলকাতার গ্যালারিতে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষকে টেনে এনেছিল, সেই ম্যাচই শেষে রেখে গেল হতাশা, প্রশ্ন আর অনিশ্চয়তার এক গা-ছমছমে অধ্যায়।
অবশ্য এটাই তো অনুমেয় ছিল, গম্ভীরের চাওয়া মোতাবেকই তো সব হলো। সৌরভ গাঙ্গুলি সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন আগেই। বোঝাবার চেষ্টা করা হয়েছিল গম্ভীরকেও। তবে স্পিন ট্র্যাক বানানই ছিল কোচের চূড়ান্ত পরিকল্পনা। তাঁর প্রেক্ষিতেই চার দিন আগে থেকে পিচে জল দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। সৌরভ আগে থেকেই আশঙ্কা করেছিলেন তিন দিনেই শেষ হতে পারে খেলা।

সেটাই অবশেষে হলো। সেই সঙ্গে হাতছাড়া হলো ফলাফলও। যে ২২ গজ ভারতীয় দলের পছন্দমতো সাজানো হয়েছিল, সেখানেই দাঁড়াতে পারলেন না ভারতের ব্যাটাররা। দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনারদের অতিমাত্রার টার্নের সামনে ব্যাটাররা হয়ে গেলেন একেবারেই অসহায়।
সংবাদ সম্মেলনে এসে অবশ্য গম্ভীর বলেছেন, ‘আমরা ঠিক এমন পিচই চেয়েছিলাম। ভালো খেলতে না পারলে হারতে হবেই।’ তবে এখানেই প্রশ্ন ওঠে, কঠিন উইকেটের সামনে ব্যাটারদের ঠেলে দিয়ে কি করতে চেয়েছিলেন গম্ভীর?
তবে এমন দৃশ্য যে একেবারে নতুনও নয়। গত বছর নিউ জিল্যান্ড সিরিজেও স্পিন–সহায়ক পিচ চেয়ে ব্যর্থ হয়েছিলেন গম্ভীর। হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবতে হয়েছিল সেবারও। এবারও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটালেন তিনি। দলকে ফেলে দিলেন আরও এক লজ্জার সামনে।











