বাংলাদেশের দুই তামিম যেন একটু স্বস্তি পেলেন। তাদের থেকেও যে বাজে সময় কাটতে পারে কোন এক ওপেনারের- সে প্রমাণ দিয়ে দিলেন জশ বাটলার। অনাকাঙ্খিত এক রেকর্ডে এখন বাটলারই রয়েছে সবার উপরে, কিংবা নিচে।
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা কোনভাবে ভাল কাটছে না জশ বাটলারের। তার দল তিন জয় নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে। কিন্তু তবুও নির্বিকার জশ বাটলার। সাত ম্যাচ খেলে ফেলেছেন তিনি। এই সাত ইনিংসে মোটে ৬২ রান সংগ্রহ করতে পেরেছেন তিনি। বাটলারের সামর্থ্যের উচ্চতায় এই পারফরমেন্স যেন ভীষণ সরু ঝিড়ি।

এমন নিদারুণ বাজে পারফরমেন্সের কারণে বাটলারের ব্যাটিং গড় এখন ৮.৮৫। যেকোন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক মৌসুমে নিদেনপক্ষে সাত ইনিংস খেলা ওপেনারদের মধ্যে এই গড় সর্বনিম্ন। কলুষিত এই অধ্যায় থেকে তিনি বরং মুক্তি দিলেন তামিম ইকবাল খান ও তানজিদ হাসান তামিমকে। এই রেকর্ডে যে বহুকার ধরে অবিচল ছিলেন তামিম ইকবাল।
২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, সাত ম্যাচে করেছিলেন ৮৩ রান। যার ফলশ্রুতিতে তার ব্যাটিং গড় ছিল ১১.৮৫। লজ্জার সেই রেকর্ড সিনিয়র তামিমকে বয়ে বেড়াতে হয়েছে দীর্ঘ দশ বছর। তারপর তার নিস্তার মেলে জুনিয়র তামিম, অর্থাৎ তানজিদ হাসান তামিমের কল্যাণে।

২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা ছিল তানজিদ তামিমের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আর সেখানেই প্রত্যাশার চাপে ভীষণ বাজে সময় কেটেছে বা-হাতি এই ব্যাটারের। সাত ম্যাচে স্রেফ ৭৬ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন তিনি। তার ব্যাটিং গড় ছিল ১০.৮৫। অর্থাৎ সিনিয়র তামিমকে হটিয়ে সর্বনিম্ন গড়ের শীর্ষস্থান দখল করেছিলেন জুনিয়র তামিম।
এবার জুনিয়র তামিমকে হটিয়ে নিম্নস্থানে বাটলার। যদিও বাটলারের সামনে সুযোগ আছে এই নেতিবাচক রেকর্ড এড়িয়ে যাওয়ার। যদি তেমনটি ঘটে- তবে হয়ত ওই জুনিয়র তামিমই হয়ে রইবেন, এক বিশ্বকাপের সবচেয়ে বাজে ওপেনার।











