ক্যাচ দিয়েই ম্যাচ জেতা যায়!

ক্যাচ দিয়ে কি ম্যাচ জেতা যায়? ৫০০ রানের ম্যাচে যদি জয়-পরাজয়ের ব্যবধান থাকে মাত্র ৭ রানের, একটা ক্যাচের মূল্য কতখানি তা অনুমেয়ই। এক ম্যাচে যদি দুইটা অবিশ্বাস্য ক্যাচ ধরা যায়? তাও যদি হয় হ্যারি ব্রুকের তবে তো কথাই নেই। শুধু একটা গল্পই না, স্কোরকার্ড বলবে উইল জ্যাকসের ক্যাচ নিয়েছেন শিভম দুবে, কে না জানে পুরোটাই যে অক্ষর বানিয়ে দিয়েছেন।

ক্যাচ দিয়ে কি ম্যাচ জেতা যায়? ৫০০ রানের ম্যাচে যদি জয়-পরাজয়ের ব্যবধান থাকে মাত্র ৭ রানের, একটা ক্যাচের মূল্য কতখানি তা অনুমেয়ই। এক ম্যাচে যদি দুইটা অবিশ্বাস্য ক্যাচ ধরা যায়? তাও যদি হয় হ্যারি ব্রুকের তবে তো কথাই নেই। শুধু একটা গল্পই না, স্কোরকার্ড বলবে উইল জ্যাকসের ক্যাচ নিয়েছেন শিভম দুবে, কে না জানে পুরোটাই যে অক্ষর বানিয়ে দিয়েছেন।

হ্যারি ব্রুক কি করতে পারেন তা সবারই জানা। নিজের দিনে একাই প্রতিপক্ষের নাভিশ্বাস তোলার সক্ষমতা তাঁর আছে। সে পথেই এগোনোর কথা ছিল তাঁর। তবে বাধ সাধলেন অক্ষর প্যাটেল। কপিল দেব স্টাইলে ক্যাচ ধরে সাত রানেই ব্রুকের ইনিংসের যবনিকা পতন ঘটিয়েছেন।

পরের পর্বে আরও এক ঝলক দেখালেন। এবার জ্যাকসকে সাজঘরে পাঠানোর নেপথ্যের কারিগর বনে গেলেন। একটু একটু করে যখন জয়ের কাছাকাছি আসতে শুরু করে ইংল্যান্ড তখনই ফিল্ডিং ম্যাজিক আসে অক্ষরের থেকে। ডিপ কভার থেকে বাঁ দিকে দৌড়ে এসে বলটি তালুবন্দি করেন। তবে দৌড়ের গতি বেশি থাকায় বুঝে ফেলেন নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না বলটাকে। সময় না নিয়ে ছুড়ে দেন অন্য দিক থেকে ছুটে আসা দুবের দিকে। ব্যস তাতেই ভেঙে যায় ৭৭ রানের জুটি, জ্যাকস থামেন ৩৫ রানে।

দিনশেষে ইংল্যান্ড হেরেছে মাত্র সাত রানের ব্যবধানে। অনেকে অনেক কিছুই টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে ধরবেন হয়তো। তবে ভারতকে যে এই দুটি ক্যাচই জিতিয়েছে। হাত ফসকে বেরিয়ে যাওয়ার আগেই ম্যাচটাকে বিশ্বস্ত হাতে তালুবন্দি করে নিয়েছেন অক্ষর। ওই যে বলে না, ক্যাচ মিস মানে ম্যাচ মিস। অক্ষর শব্দগুচ্ছকে একটু পরিবর্তন করে বলে গেলেন, ক্যাচ ধরো আর ম্যাচ জেতো।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link