টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফ্লপ একাদশ!

প্রত্যাশা ছিল যতটা, তাঁর থেকে অনেক বেশিই হতাশা ছড়িয়েছে বেশ কিছু নাম। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের ভরসা হয়ে পা রাখা খেলোয়াড়রাই হয়েছেন দলের বোঝা। খেলা ৭১-এর এই আয়োজনে থাকছে বিশ্বকাপের ফ্লপ একাদশের তালিকা।

প্রত্যাশা ছিল যতটা, তাঁর থেকে অনেক বেশিই হতাশা ছড়িয়েছে বেশ কিছু নাম। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের ভরসা হয়ে পা রাখা খেলোয়াড়রাই হয়েছেন দলের বোঝা। খেলা ৭১-এর এই আয়োজনে থাকছে বিশ্বকাপের ফ্লপ একাদশের তালিকা।

  • জস বাটলার

বিশ্বকাপজুড়ে ভুলে যাওয়ার মতোই এক সময় কাটিয়েছেন জস বাটলার। আট ম্যাচে ৮৭ রান, গড় মাত্র ১০। ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞ সেনানীর কাছ থেকে আসা এমন পারফরম্যান্স হতবাক করেছে সবাইকে।

  • ট্রাভিস হেড

গ্রুপ পর্বেই অস্ট্রেলিয়ার বিদায়ের অনেকগুলো কারণের একটি ট্রাভিস হেড। চার ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে মোটে ১১১ রান। এক ফিফটি বাদে বলার মতো কিছুই ছিল না তাঁর।

  • সায়িম আইয়ুব

বড় মঞ্চে বরাবরই ব্যর্থ স্টারবয় খ্যাত সায়িম আইয়ুব। বল হাতে পাঁচ উইকেট শিকার করলেও আসল কাজ অর্থাৎ ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ। ছয় ম্যাচে ১৪ গড়ে করেছেন মোটে ৭০ রান।

  • বাবর আজম

দলের সেরা তারকা থেকে দলের সবচেয়ে বড় বোঝা হয়েই বিশ্বকাপ কাটিয়েছেন বাবর আজম। ছয় ম্যাচে ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ৯১ রান। তাঁর ১১২ স্ট্রাইক রেট সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার ছিল পাকিস্তানের জন্য।

  • সালমান আলী আঘা (অধিনায়ক)

ব্যর্থতার খোলস ছেড়ে বের হতে পারেননি সালমান আলী আঘাও। সাত ম্যাচে ১০ গড়ে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ৬০ রান। দলের অধিনায়কই যখন এমন পারফর্ম করেন, দল তো তখন ডুববেই। তাই তো ফ্লপ একাদশের অধিনায়কের দায়িত্বও তাঁকে দেওয়া হয়েছে।

  • মার্কাস স্টয়নিস

চার ম্যাচে মোটে ৫৫ রান এসেছে ব্যাট থেকে। উইকেট সংখ্যা মাত্র চার। অস্ট্রেলিয়া দলের অন্যতম সেরা তারকা মার্কাস স্টয়নিসের এমন মলিন পারফরম্যান্স মেনে নেওয়া কষ্টসাধ্য।

  • গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

নামের ভার, খ্যাতি, প্রত্যাশা—সবই ছিল। তবে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের কাছ থেকে কিছুই পায়নি অস্ট্রেলিয়া। চার ম্যাচে ৬২ রান, বল হাতে দুই উইকেট তোলা ম্যাক্সওয়েলের তাই ঠাঁই হয়েছে ফ্লপ একাদশে।

  • শাদাব খান

সাত ম্যাচে ১১৮ রান করলেও বল হাতে ভয়ঙ্কর বাজে সময় কাটিয়েছেন পাকিস্তানের শাদাব খান। সাত ম্যাচে শিকার করেছেন মাত্র পাঁচ উইকেট। ইকোনমি রেট আটের উপর। পাকিস্তানের ভরাডুবির অন্যতম কারণ তো তিনিই।

  • রশিদ খান

সময় যেন বড় নিষ্ঠুর হয়ে এসেছে রশিদ খানের জন্য। জৌলুস হারাতে হারাতে ছিটেফোঁটাও যেন আর অবশিষ্ট নেই। বিশ্বকাপে ব্যর্থতার ঘড়া পূর্ণ হয়েছে তাঁর। চার ম্যাচে শিকার করেছেন ছয় উইকেট, ইকোনমি প্রায় সাতের কাছাকাছি।

  • লকি ফার্গুসন

নিউজিল্যান্ড ফাইনাল খেলেছে ঠিকই, তবে দলটির হয়ে তেমন কোনো অবদান রাখতে পারেননি লকি ফার্গুসন। আট ম্যাচে নিয়েছেন ছয় উইকেট, ইকোনমি প্রায় ১০-এর কাছাকাছি। এমন মলিন পারফরম্যান্স তাঁকে বসিয়েছে ফ্লপ একাদশের চেয়ারে।

  • শাহীন শাহ আফ্রিদি

শাহীন শাহ আফ্রিদি এখন অনেকটা নামেই চলেন। গড়পড়তা এক বোলার হিসেবেই পার করছেন সময়। পাঁচ ম্যাচে আট উইকেট নিয়েছেন ঠিকই, তবে ইকোনমি সাড়ে দশের উপর। কোনো ইমপ্যাক্টই দলের হয়ে রাখতে পারেননি তিনি।

সবমিলিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফ্লপ একাদশ দাঁড়াচ্ছে: জস বাটলার, ট্রাভিস হেড, সায়িম আইয়ুব, বাবর আজম, সালমান আলী আঘা (অধিনায়ক), মার্কাস স্টয়নিস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, শাদাব খান, রশিদ খান, লকি ফার্গুসন, শাহীন শাহ আফ্রিদি।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link