ভারতের বিপক্ষে যোগ্য সেনাপতির মত একাই লড়ে গেছেন মিশেল স্যান্টনার। অনায়াসে তাকে ‘লোন ওয়ারিয়ার’ বলে দেওয়া যায়। দিনশেষে ‘ট্র্যাজিক হিরো’ তকমাটাও খাটে তার ক্ষেত্রে। ব্যাটে-বলে একাই তিনি দলের মান বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন। সকল প্রতিকূলতার মাঝে দাঁড়িয়েও প্রতিরোধের একক ঢাল বনে গেলেন।
আহমেদাবাদের বাইশ গজে সবুজ ঘাসের আস্তরণ দেখে ফাঁদে পড়েছিলেন মিশেল স্যান্টনার। এদিন একটাই ভুল করেছেন ব্ল্যাকক্যাপস অধিনায়ক- টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠানো। আর সেই ভুলে খেসারত তাকে দিতে হয়েছে শিরোপা জয়ের আরেকটি সুযোগ হারিয়ে। তবে নিজের ভুল শুধরে নেওয়ার আপ্রাণ প্রচেষ্টা ছিল তার মধ্যে।

২৫৫ রান স্কোরবোর্ডে তোলে। এমন ম্যাচে বেধম প্রহারের মুখে নিজেকে ফেলে দেওয়ার সৎ সাহস দেখিয়েছেন। সাঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মারা যখন রুদ্র দানব, তখন তিনি বল হাতে দিয়ে গেছেন মোটে ছয় রান। চার ওভারে ৩৩ রান খরচায় তিনি ছিলেন কিউইদের দিনের সেরা বোলার।
তার দায়িত্ব কার্যত ছিল ততটুকুই। কিন্তু বিনা যুদ্ধে হার মানতে তিনি নারাজ ছিলেন। দলের ব্যাটাররা ফাইনালের মেগা মঞ্চে ব্যর্থ হলে ভীষণ বাজেভাবে। তবুও একটা প্রান্ত থেকে স্যান্টনার চালিয়ে গেছেন নিজের ব্যক্তিগত সংগ্রাম। পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর আগে, জেতার চেষ্টাও ছিল তার মধ্যে।

দলের যখন ছয়জন ব্যাটার প্যাভিলিয়নে, তখনও স্যান্টনারের রান ছিল ১৮ বলে ৩১। শেষে জাসপ্রিত বুমরাহের কাটারে তার স্ট্যাম্প উপড়ে যায়। তখন স্যান্টনারের রান ৩৫ বলে ৪৩ রান। তিনি ছিলেন প্যাভিলিয়নে ফেরা নবম ব্যাটার। ব্যবধান কমানো ছাড়া শেষে তার আর করার কিছুই ছিল না। বিষাদের সিন্ধুতে ডুবসাঁতার দেওয়াই যেন লেখা ছিল মিচেল স্যান্টনার নামক লড়াকু সেনাপতির ভাগ্যে।











