অধিনায়কত্ব হারিয়ে ওয়ানডেতে দিশেহারা শান্ত!

চাপ থাকলেই ভালো থাকেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ওয়ানডেতে তাঁর সাম্প্রতিক ফর্ম অন্তত এই কথাই বারবার বলে যাচ্ছে। অধিনায়ক থাকাকালীন ৫০-এর উপরে গড় ছিল তাঁর। একেবারে সামনে থেকেই দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নিজেকে রেখেছিলেন রাইট ট্রাকে। অধিনায়কত্ব হারানোর পরই যেন দৈন্যদশা কাটছে না তাঁর ব্যাটে।

চাপ থাকলেই ভালো থাকেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ওয়ানডেতে তাঁর সাম্প্রতিক ফর্ম অন্তত এই কথাই বারবার বলে যাচ্ছে। অধিনায়ক থাকাকালীন ৫০-এর উপরে গড় ছিল তাঁর। একেবারে সামনে থেকেই দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নিজেকে রেখেছিলেন রাইট ট্রাকে। অধিনায়কত্ব হারানোর পরই যেন দৈন্যদশা কাটছে না তাঁর ব্যাটে।

বাংলাদেশের প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের লিস্ট করলে উপরের দিকেই শান্তর নামটা থাকবে। টেকনিক, টেম্পারামেন্ট, সবকিছুতেই যে ফুল মার্কস আছে তাঁর। বিশেষ করে লংগার ফরম্যাটে তাঁর মতো ব্যাটার বাংলাদেশের জন্য বড় সম্পদ।

ব্যাটার সত্তার পাশাপাশি নেতা হিসেবেও সক্ষমতার প্রমাণ রেখেছেন। শান্তর সবচেয়ে বড় গুণ ছিল চাপ সামলানো। তবে যখন এই চাপ সামলানোর দায়িত্ব থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হলো, বিপত্তির সূচনাপত্র লেখা হলো তখনই।

২০২৩-২৪ সালে ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করেছেন। সে সময়টা দলের সেরা ব্যাটার তিনিই ছিলেন। এরপর যখন অধিনায়কত্ব হারালেন, নিজেকেও হারিয়ে ফেললেন। শেষ ১১ ম্যাচে রান করেছেন মোটে ১৬৭। ব্যাটিং গড় ১৫, একটা ম্যাচেও পাননি ফিফটির দেখা। এমন প্রাণহীন শান্তর ব্যাট দলের বিপর্যয় কেবল ডেকে আনছে।

তিন নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন। সেই সঙ্গে চাপ বাড়ছে মিডল অর্ডারে থাকা বাকিদের ওপর। আবার সেখানেও যে খুব শক্তপোক্ত অবস্থা রয়েছে তাও না। ফলাফল মোটা দাগে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ।

এখানেই সন্দেহের জায়গাটা উন্মুক্ত হয়। ফর্মে থাকা একজন ব্যাটার হুট করে অধিনায়কত্ব হারালেন, এর পরই নিস্তেজ হয়ে গেলেন। অবশ্য তাঁকে সরানোর যে প্রক্রিয়া ছিল সেটা এক কথায় দৃষ্টিকটুই বইকি। তবে কি এই শান্তর মানসিকতার ওপর প্রভাব ফেলেছে অধিনায়কত্ব হারানোটা? এটা হলেও যে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। ওই যে প্রক্রিয়ায় সরানো হয়েছে, সেটা কারও জন্য সুখকর হওয়ার কথা নয়।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link