ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ বাংলাদেশের পুরোপুরি প্রশ্নবিদ্ধ। বিশুদ্ধ ব্যাটিং উইকেটে কমপক্ষে ৪০ রান কম করল বাংলাদেশ। দারুণ ওপেনিং জুটি, ওপেনারের সেঞ্চুুরির পরও রানটা ৩০০ না হওয়াটা খুবই দৃষ্টিকটু। অন্তত যেখানে অনায়াসে ৩৩০ হয়ে যেতে পারে, সেখানে বাংলাদেশের ব্যাটাররা ৩০০ করার আগ্রহও দেখালেন না সময়মত।
লিটন দাস ৫১ বলে ৪১ রান করলেন। তিনি যে সময়টায় ক্রিজে ছিলেন, তখন তাঁর অবশ্যই ৪১ বল থেকে ৬১ রান করা উচিৎ ছিল। তিনি যে ক্যালিবারের ব্যাটার, তাতে রানটা অসম্ভব ছিল না।
প্রথম ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ছিল এক উইকেটে ১১৯ রান। ২৫ ওভার শেষে এক উইকেটে ১৩৮, আর ৩০ ওভারে গিয়ে দাঁড়ায় দুই উইকেটে ১৬০ রান। অর্থাৎ হাতে ৯ উইকেট রেখে মাঝের ১০ ওভারে এসেছে মাত্র ৪১ রান—যা স্পষ্টভাবেই গতি হারানোর ইঙ্গিত দেয়। এখানে সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিমও স্লো-খেলার অভিযোগে দুষ্ট।

তানজিদ তামিম ৫৮ বলে ৭১ রান থেকে শেষ পর্যন্ত ৯৮ বলে তুলে নেন সেঞ্চুরি। ছক্কা মেরে শতরান পূর্ণ করা নি:সন্দেহে সাহস আর চাপমুক্তির প্রতীক। তবে সেঞ্চুরির আগে প্রায় ৪০ বল ধরে তার ব্যাট যেন কিছুটা খোলসবন্দীই ছিল।
২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে মিডল ওভারে নিয়মিত সিঙ্গেলস বের করার দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। আর সেই খোলসবন্দী ব্যাটিং পুরো ইনিংসজুড়েই চলল। এমনকি ডেথ ওভারেও অল আউট আক্রমণ করার কোনো চাহিদা ছিল না বাংলাদেশের। শেষ ১০ ওভার থেকে মাত্র ৭৭ রান তুলতে পারে। থামতে হয় ৩০০ থেকে ১০ রান দূরে।
টসে অধিনায়ক বলেছিলেন, ২৬০ নাকি এখানে যথেষ্ট রান। সেই চাওয়া থেকে ৩০ রান বেশি হয়েছে। অন্ধের দেশে এটাই যেন মিরপুরে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় তৃপ্তির ঢেঁকুর।











