৩৬ বলে আরও এক অতিমানবীয় সেঞ্চুরি। বাইশ গজে আরও একবার বয়ে গেল বৈভব সুরিয়াভানশি ঝড়। যার সামনে উড়ে গেল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বোলিং লাইন-আপ। বৈভব শুধু বিস্ময় নয়, ভয়ও বটে। বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করতেই তিনি এসেছেন। ১৫-তেই পরিণত হয়েছেন ধ্বংসাত্মক এক রান মেশিনে।
তাঁর সামনে যেন বল ফেলায় দায়। কোনো কিছুই বৈভবকে থামাতে পারে না, দমিয়ে রাখতে পারে না। তিনি নামবেন আর প্রলয় নৃত্যে মেতে উঠবেন, এ এক অঘোষিত চিরন্তন সত্য।

হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে এর আগের দেখায় শূন্যতেই ফিরেছিলেন। চাপা এক ক্ষোভ জমা ছিল, সেটাই উগরে দিলেন এই ম্যাচে এসে। ১৫ বলেই ফিফটির দেখা পেয়েছেন। তবুও যে মন ভরলো না। তাঁর যে চায় আরও বড় কিছু।
ক্রিকেট মানেই অনিশ্চয়তা, কিন্তু কিছু কিছু দিন থাকে যেখানে অনিশ্চয়তা নয়, বরং একচ্ছত্র আধিপত্যই গল্প লেখে। সেই গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে বৈভব। প্রথম থেকেই বুঝিয়ে দিয়েছেন, সে এসেছে শুধুই খেলতে নয়—শাসন করতে।

পুরোটা সময় বলকে চপেটাঘাত করেছেন। ১২ খানা ছক্কা আর পাঁচ চারের সাহায্যে তুলে নিয়েছেন আইপিএল ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক। তাঁর ব্যাটিং দেখে একটা কথাই মনে হবে, রান করা কোনো ব্যাপারই না। শেষমেষ থেমেছেন ৩৭ বলে ১০৩ রানে। ফেরার আগে সব আলো, ক্যামেরার লেন্স নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিয়েছেন। পুরো স্টেডিয়াম কুর্নিশ জানাতে বাধ্য হয়েছে বৈভবের সামনে।
Share via:











