কাউকে পরোয়া করেন না বৈভব!

ছক্কা দিয়ে ইনিংসের সূচনা করা যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন বৈভব সুরিয়াভানশির। আরও এক ব্রত নিয়েছেন তিনি, প্রথমবারের মতো যে বোলারকে মোকাবিলা করবেন তাঁকে চার কিংবা ছক্কা দিয়েই অভ্যর্থনা জানাবেন।

ছক্কা দিয়ে ইনিংসের সূচনা করা যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন বৈভব সুরিয়াভানশির। আরও এক ব্রত নিয়েছেন তিনি, প্রথমবারের মতো যে বোলারকে মোকাবিলা করবেন তাঁকে চার কিংবা ছক্কা দিয়েই অভ্যর্থনা জানাবেন। হোক সেটা মিচেল স্টার্ক কিংবা তরুণ ত্রিপুরানা বিজয়।

বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করা বোলারদের বিপক্ষে যেন একটু বেশি ক্ষোভ জমা আছে বৈভবের। স্বদেশি জাসপ্রিত বুমরাহ হোক কিংবা মিচেল স্টার্ক, সেরা বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করতেই পছন্দ করেন তিনি। দিল্লির স্টার্ককেও তাই পড়ত হলো বৈভবের রোষানলে।

গতি, সুইং আর আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে যিনি বিশ্বের যেকোনো ব্যাটসম্যানকে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করেন। কিন্তু সুরিয়াভানশির ব্যাটে সেই পরীক্ষার উত্তরও যেন আগে থেকেই লেখা।

প্রথম দেখায় প্রথম বলটা বৈভবকে ওয়াইড করেছিলেন স্টার্ক। তাতেই যেন রক্ষা পেলেন। তবে পরের লিগ্যাল ডেলিভারিতে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন বৈভব কাউকে পরোয়া করেন না। চার-ছক্কায় ওই ওভার থেকে আদায় করেছেন ১২ রান।

শেষমেষ বৈভবের তাণ্ডব থেমেছে ২১ বলে ৪৬ রান করে। সেই সাথে হাফ ছেড়ে বেঁচেছে দিল্লির বোলাররাও। আসলে এই দৃশ্য এখন আর বিচ্ছিন্ন নয়, এটা নিয়মে পরিণত হচ্ছে। বৈভব আসবেন ঝড় তুলবেন, আর চলে যাবেন। এটাই এখন নিয়ম।

ক্রিকেটবিশ্বে তাই এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে, এই ছেলেকে থামাবে কে? কারণ প্রতিদিনই একই গল্প, একই আগ্রাসন, একই ধ্বংসাত্মক ব্যাটিং। তিনি শুধু একজন ব্যাটসম্যান নন, তিনি এক চলমান ঝড়। আর সেই ঝড়ের সামনে দাঁড়িয়ে বোলারদের কাজ এখন খুব সীমিত—শুধু বল করা আর দূর থেকে দেখা, কীভাবে আরেকটা ইনিংস আবার নিজের নামে লিখে ফেলছেন বৈভব সুরিয়াভানশি।

Share via
Copy link