চলমান আইপিএলে প্লে-অফে যাওয়ার মহানাট্য এখন চূড়ান্ত অঙ্কে। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের শেষ সপ্তাহে প্লে-অফের টিকিট কাটার মহাযুদ্ধে টিকে রয়েছে সাতটি দল, অথচ ফাঁকা পড়ে আছে মাত্র তিনটি আসন!
দিল্লি বনাম রাজস্থান ম্যাচের পর গাণিতিক সমীকরণের নতুন রূপরেখা সামনে এসেছে। তাতে আরসিবি ইতিমধ্যেই প্লে-অফের টিকিট পকেটে পুরে ফেলেছে।
৯৯.২ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে প্লে-অফের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে গুজরাট টাইটানস। তাদের ঠিক পেছনেই বীরদর্পে এগিয়ে চলেছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। ৭৫ শতাংশের এক মজবুত কোয়ালিফিকেশন প্রব্যাবিলিটি নিয়ে তাদের শেষ চারে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত।

আসল নাটকটি জমে উঠেছে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানটিকে কেন্দ্র করে। চেন্নাই সুপার কিংস ৩৫.৫ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে লড়াইয়ে এখন ভালোভাবেই টিকে রয়েছে।
৩৪.৮ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে ঠিক তাদের পেছনেই ওত পেতে আছে রাজস্থান রয়্যালস। আর ৩১.১ শতাংশ সম্ভাবনা টিকিয়ে রেখে লড়াইয়ে আছে শ্রেয়াস আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস।
সাম্প্রতিক পরাজয়ের ক্ষত নিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স এর সম্ভাবনা এক ধাক্কায় নেমে এসেছে মাত্র ১৩.৯ শতাংশে। তবে হাল ছাড়েনি দিল্লি। রাজস্থানকে হারিয়ে ১০.৬ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে তারা এখনও অসাধ্য সাধনের স্বপ্নে বিভোর।

বিরাটের আরসিবি শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই প্লে-অফে পা দিয়ে ফেলেছে। গুজরাট আর হায়দ্রাবাদের প্লে-অফও অনেকটাই নিশ্চিত। এখন আকস্মিক কিছু না ঘটলে লড়াইটা মূলত হবে চেন্নাই, রাজস্থান আর পাঞ্জাবের মধ্যে।
পাঞ্জাবের হাতে বাকি আর মাত্র এক ম্যাচ। অন্যদিকে দুইটি করে ম্যাচ রয়েছে চেন্নাই ও রাজস্থানের। ১৩ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট রয়েছে পাঞ্জাবের নামের পাশে। আর ১২ ম্যাচ খেলে ছয় জয় এবং ছয় হার চেন্নাই আর রাজস্থানের। বিস্ময়কর হলেও, তাদের রানরেটটাও (+০.০২৭) সমান।
চেন্নাই বা রাজস্থান – কোনো এক দল যদি দুই ম্যাচ জেতে তাহলে পাঞ্জাব কিংসের প্লে-অফ যাত্রা সেখানেই শেষ। অন্যদিকে তিন দলই যদি একটি করে ম্যাচ জেতে সেক্ষেত্রে এক পয়েন্ট ব্যবধানে শেষ চারে পা রাখবে শ্রেয়াস আইয়ারের দল।











