অপেক্ষা ছিল কেবল তিন উইকেটের। সেখানে গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে, তাঁর চেয়েও বেশি ভয় জাগাচ্ছিলেন সাজিদ খান। দু’জন মিলে ৭২ বলে ৫৪ রানের জুটি গড়ে শঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছিলেন।
সিলেটের বুকে মুলতানের সেই দু:স্মৃতি কি ফিরে আসবে? সেই নিয়েই চাপা এক গুঞ্জন ছিল। পাকিস্তান কি বিশ্ব রেকর্ড গড়ে জিততে পারবে? ধারাভাষ্য কক্ষে সেই নিয়ে চলছিল বিস্তর আলোচনা।
তবে, বাংলাদেশের এই টেস্ট দল তো ভিন্ন ধাতুর গড়া। পরাজয়ের আগেই হার মেনে নিতে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। মাত্র তিন ওভারের মধ্যে সব হিসাব নিকাশ গেল পাল্টে।

তাইজুল ইসলামের মোক্ষম একটা ডেলিভারি দিয়ে শুরু। স্লিপে ক্যাচ নিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ২৮ রান করে ফিরে গেলেন সাজিদ খান।
পরের ওভারেই তাঁর সঙ্গী হলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ছয় রান দূরে থাকতে মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে গালিতে যখন ক্যাচ তুলে দেন, তখন নিশ্চিত হয় যে এই ধরার বুকের কোনো শক্তিই বাংলাদেশের অর্জন আটকাতে পারবে না।
এর পরের ওভারে আবারও তাইজুল ইসলাম। শেষটা রাঙিয়ে দিলেন। শেষ ব্যাটারকে ফিরিয়ে দিলেন। ইনিংসে নিলেন ছয় উইকেট। বাংলাদেশের ৭৮ রানে জয় নিশ্চিত হল। পাকিস্তানকে বাংলাদেশের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ করার স্বপ্ন পূরণ হল।











