বোল্ড, বোল্ড, আবার বোল্ড, মাঝের একটা বল বাদ দিলে টানা তিনবারই নাহিদ রানার আগলে রাখা স্টাম্পে আঘাত হেনেছে বল। ব্যাটারদের ঘুম হারাম করা নাহিদ যেন ব্যাট হাতে বড্ড খামখেয়ালি। বলের সঙ্গে সখ্যতা থাকলেও ব্যাটটা যেন কথাই শোনে না তার। শিষ্যের এমন পর্যদুস্ত অবস্থা দেখে এগিয়ে গেলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। বুঝিয়ে দিলেন আসলে কী করতে হবে।
মনোযোগী ছাত্রের মতো সবটা বুঝে নিলেন নাহিদ। এরপর মানিয়ে নিতে চাইলেন ব্যাটের সঙ্গে। কাজেও দিল, বেশ কিছু বল সজোরে হাঁকিয়েছেন। আবার ভালো বলটাকে রক্ষণাত্মক ভঙ্গিমায় খেলেছেন। তবে তাঁর দায়িত্ব পরিষ্কার, প্রপার টেল-এন্ডার ব্যাটার যে হতে হবে তাঁকে, আশরাফুলের চোখেমুখেও সেই প্রয়াস দেখা গেল।

কখনও কখনও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন টেল-এন্ডাররা। ক্রিকেটের ভাষায় একটা কথা আছে, যে দলের টেল-এন্ডার যত বেশি শক্তিশালী সেই দলের জয়ের সম্ভাবনাও প্রবল। বাংলাদেশ সেটা উপলব্ধি করতে পেরেছে। তাই তো ব্যাটারদের পাশাপাশি বোলারদের ব্যাট চালানোর দীক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
টেল-এন্ডারের ছোট্ট একটা উপকারিতা প্রথম ম্যাচেই দেখা গিয়েছিল, তাসকিন আহমেদ অস্ট্রেলিয়ার সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার পাশাপাশি নিজেও গুরুত্বপূর্ণ ২০ রান আদায় করেছিলেন। ওটাই মূলত পার্থক্য গড়ে দেয়।

ঠিক এই কাজটাই সবাইকে দিয়ে করাতে চান আশরাফুল। নাহিদ রানার সঙ্গে বিশেষ ক্লাসটা তাই এ কারণেই। তাসকিনের মতো যদি বিপদে নাহিদরাও ঢাল হয়ে দাঁড়াতে পারেন তবে যে আখেরে লাভটা বাংলাদেশেরই হবে।
Share via:










