বিশ্বকাপের আড়ালে থাকা সিরিজে নতুন চমকের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে সাধারণত যে ধরনের আগ্রহ কিংবা উন্মাদনা দেখা যায়, এবার তার অনেকটাই অনুপস্থিত। কারণটা অবশ্য খুব সহজ। এই মুহূর্তে ক্রীড়াবিশ্বের সব আলো ফুটবল বিশ্বকাপের দিকে। প্রতিদিন বিশ্বমঞ্চে নতুন গল্প তৈরি হচ্ছে, নতুন নায়ক জন্ম নিচ্ছেন। ফলে চট্টগ্রামে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজটা অনেকটাই আড়ালে পড়ে গেছে।

মিচেল মার্শ চমকে গেলেন। সংবাদ সম্মেলন মোটে পাঁচ মিনিটের। লিটন দাসের সংবাদ সম্মেলনও টেনেটুনে মিনিট দশেকের বেশি হলো না।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে সাধারণত যে ধরনের আগ্রহ কিংবা উন্মাদনা দেখা যায়, এবার তার অনেকটাই অনুপস্থিত। কারণটা অবশ্য খুব সহজ। এই মুহূর্তে ক্রীড়াবিশ্বের সব আলো ফুটবল বিশ্বকাপের দিকে। প্রতিদিন বিশ্বমঞ্চে নতুন গল্প তৈরি হচ্ছে, নতুন নায়ক জন্ম নিচ্ছেন। ফলে চট্টগ্রামে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজটা অনেকটাই আড়ালে পড়ে গেছে।

তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থাকলেও সিরিজটির গুরুত্ব মোটেও কম নয়। বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশের সামনে এসেছে নিজেদের আরও একবার প্রমাণ করার সুযোগ।

কয়েকদিন আগেও খুব কম মানুষ বিশ্বাস করেছিল বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডে সিরিজে হারাতে পারবে। কিন্তু বাংলাদেশ  দল শুধু সিরিজই জেতেনি, শেষ ম্যাচ পর্যন্ত হোয়াইটওয়াশের সম্ভাবনাও জিইয়ে রেখেছিল। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে নামছে টাইগাররা।

অস্ট্রেলিয়াও অবশ্য এসেছে নতুন চেহারায়। ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেছেন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। রয়েছেন জশ ইংলিস, টিম ডেভিড, অ্যাডাম জাম্পা ও কুপার কনোলির মতো টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ ক্রিকেটাররা। ওয়ানডে সিরিজের তুলনায় ব্যাটিং বিভাগে অনেক বেশি শক্তিশালী দেখাচ্ছে সফরকারীদের।

বাংলাদেশ শিবিরে সবচেয়ে বড় নজর থাকবে অধিনায়ক লিটন দাসের ফিটনেসের দিকে। ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে পায়ের চোটে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। তবে ফিটনেস পরীক্ষায় উতরে গেলে ওপেনিংয়ে তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে দেখা যেতে পারে লিটনকেই। আর তিনি খেলতে না পারলে সুযোগ পেতে পারেন সাইফ হাসান।

মিডল অর্ডারে তাওহিদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন ও শামীম হোসেনের জায়গা প্রায় নিশ্চিত। স্পিন বিভাগে মেহেদী হাসান ও রিশাদ হোসেনের ওপর ভরসা রাখবে টিম ম্যানেজমেন্ট।

তবে সবচেয়ে বড় আলোচনা পেস আক্রমণ নিয়ে। মুস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানার জায়গা প্রায় নিশ্চিত। বাকি জায়গাটি নিয়ে লড়াই হতে পারে তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামের মধ্যে। অভিজ্ঞতা ও সাম্প্রতিক ফর্ম—দুইয়ের হিসাব মিলিয়েই নিতে হবে সিদ্ধান্ত।

বিশ্বকাপের ঝলমলে আলোয় হয়তো এই সিরিজ খুব বেশি শিরোনাম হচ্ছে না। কিন্তু বাংলাদেশ যদি ওয়ানডের সাফল্যের ধারাবাহিকতা টি-টোয়েন্টিতেও ধরে রাখতে পারে, তাহলে বিশ্বকাপের ভিড়েও নিজেদের জন্য আলাদা করে আলো কাড়ার সুযোগ আছে ।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ (লিটন ফিট থাকলে)

লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ/শরিফুল ইসলাম।

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link