১০ জনের ইংল্যান্ডের অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ

মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা এক ম্যাচ উপহার দিল ইংল্যান্ড ও মেক্সিকো। পাঁচ গোল, দুটি পেনাল্টি আর এক লাল কার্ডের নাটকীয়তা শেষে ৩-২ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল থ্রি লায়ন্সরা।

মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা এক ম্যাচ উপহার দিল ইংল্যান্ড ও মেক্সিকো। পাঁচ গোল, দুটি পেনাল্টি আর এক লাল কার্ডের নাটকীয়তা শেষে ৩-২ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল থ্রি লায়ন্সরা।

শুরুতে দাপট দেখায় মেক্সিকো, কিন্তু ৩৬ ও ৩৮ মিনিটে দুই মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন জুড বেলিংহাম। বিরতির আগে ফ্রি-কিক থেকে ব্যবধান কমান হুলিয়ান কিনিয়োনেস। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৪ মিনিটে জারেল কোয়ানসাহ সরাসরি লাল কার্ড দেখলে দশজনে নেমে যায় ইংল্যান্ড। এরপরও ৬০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন হ্যারি কেইন, ব্যবধান হয় ৩-১। তবে ৬৯ মিনিটে কেইন নিজেই পেনাল্টি উপহার দিলে স্পট কিক থেকে গোল করেন রাউল হিমেনেজ।

এরপর প্রায় ৫০ মিনিট একজন কম নিয়ে খেলে গেছে ইংল্যান্ড, আর পুরোটা সময় দলকে টেনে নিয়ে গেছেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। পুরো ম্যাচে ২১টি শট নেয় মেক্সিকো, যার ৬টি ছিল লক্ষ্যে—প্রতিটিই ঠেকান পিকফোর্ড। বিপরীতে মাত্র ৬টি শট নিয়ে ৩ গোল আদায় করে নেয় ইংল্যান্ড। বল দখলেও ৬২-৩৮ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল মেক্সিকো, কিন্তু গোলমুখে কার্যকারিতায় পিছিয়ে যায় তারা। যোগ করা সময়ের তেরো মিনিটে একের পর এক কর্নার আর আক্রমণ সাজিয়েও রক্ষণ ভাঙতে পারেনি স্বাগতিকরা।

শেষ বাঁশি বাজতেই দশজনের ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি, সমর্থকদের মুখে সেই চেনা স্লোগান—”ইটস কামিং হোম”। কোয়ার্টার ফাইনালে এখন প্রতিপক্ষ নরওয়ে। দুর্দান্ত এক টুর্নামেন্ট শেষে মাথা উঁচু করেই বিদায় নিল মেক্সিকো।

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link