অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে উইকেটের পেছনে দেখা যাবে কাকে? লিটন দাস তো নেই, ম্যানেজমেন্টের হাতে আছে দুটি অপশন। হয় জাকের আলী অনিক, নয়তো অমিত হাসান। কার উপর ভরসা করবে ম্যানেজমেন্ট?
ঘরোয়াতে নিজের সক্ষমতার সবটা দেখিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রেখেছেন অমিত। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সদ্য অভিষেকটা হয়েছে। এক ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে রান করেছেন মাত্র ২৯। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথম ম্যাচ দিয়ে কাউকে বিচার করাটা বোকামি। সেক্ষেত্রে সুযোগের দরজা তার জন্য খোলা রাখাই উচিত।
এবার একটু জাকের আলীর কাছে যাওয়া যাক। ২০২৫ সালের ১৭ জুন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন। মাঝে ক্যারিয়ারের তিক্ত সময় কেটেছে তার। তিন ফরম্যাটে যিনি অটো চয়েজ ছিলেন, তাঁকে বাদ পড়তে হয়েছে। অবশেষে আরও একটা সুযোগ সামনে এসেছে জাকেরের। সেখানে কি একাদশের টিকিটটা মিলবে জাকেরের?

অমিত নাকি জাকের? বাস্তবতার বিচারে সুযোগটা পাওয়া উচিত অমিতেরই। এক ম্যাচ খেলেছেন মাত্র, আশা জাগানিয়া কিছু না পেলেও তাঁকে পরের ম্যাচে বসিয়ে দেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। তবে এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশন। বিশ্বমানের বোলারদের মোকাবিলা করার চ্যালেঞ্জটা অমিতকে নিতে হবে। সদ্য অভিষেক হওয়া অমিতের ঘাড়ে এমনিতেই চাপ চেপে বসেছে, তার উপর অস্ট্রেলিয়ার প্রতাপশালী বোলিং আক্রমণ সামলানো আরও বড় চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। এই একটি কারণ মাথায় নিলেই জাকেরের সুযোগ থাকবে একাদশে জায়গা করে নেওয়ার।
ছয় টেস্ট খেলেছেন জাকের। সব ফরম্যাট মিলিয়ে অভিজ্ঞতার দিক দিয়ে বেশ সমৃদ্ধ তিনি। ফর্ম নেই, তবে যদি ম্যানেজমেন্ট অভিজ্ঞতাটাকে বড় করে দেখে, তবেই উইকেটের পেছনে দেখা যেতে পারে জাকেরকে।
অমিতকে খেলালে একটা ঝুঁকি নিতে হবে। আর এই ঝুঁকির ফলাফল ভালো-মন্দ উভয়ই হতে পারে। হয়তো অমিত অবিশ্বাস্য কিছু করে ফেলবেন, নইলে ডাহা ফেল করবেন। দুটোই তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। সবকিছু এখন ম্যানেজমেন্টের উপর। তারা ঝুঁকি নিয়ে অমিতকে নামাবে, নাকি অভিজ্ঞতা বেশি থাকায় ভরসা করবে জাকেরের উপর?











