মালয়েশিয়াকে বাংলাদেশে এনেছেন ডেভ হোয়াটমোর!

আর এখানেই একটি প্রশ্ন সামনে আসে, মালয়েশিয়ার এই বাংলাদেশ সফরের পেছনে কি হোয়াটমোরের বাংলাদেশ-সংযোগই সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি?

ডেভ হোয়াটমোরের কাছে বাংলাদেশ শুধুই একটি সাবেক কর্মস্থল নয়, তাঁর কোচিং জীবনের সবচেয়ে সফল অধ্যায়গুলোর একটি। যে দেশকে তিনি একসময় স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, সেই দেশেই ফিরেছেন আবার। তবে এবার বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে নয়, প্রতিপক্ষের ডাগআউটে। আর এখানেই একটি প্রশ্ন সামনে আসে, মালয়েশিয়ার এই বাংলাদেশ সফরের পেছনে কি হোয়াটমোরের বাংলাদেশ-সংযোগই সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি?

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দলে রূপ দিতে ডেভ হোয়াটমোরের অবদান নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যেন দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক।

সেই সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে সময়ের সঙ্গে। জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়ার পরও বাংলাদেশের ক্রিকেট থেকে তিনি দূরে সরে যাননি। বিভিন্ন সময় বিপিএলে কোচিং করিয়েছেন, দেশের ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট অনেকের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ অটুট থেকেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেট কাঠামো, এখানকার পরিবেশ এবং ক্রিকেট সংস্কৃতি সম্পর্কে তাঁর মতো করে খুব কম বিদেশি কোচই জানেন।

এখন তিনি মালয়েশিয়ার ক্রিকেটের দায়িত্বে। দেশটির ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে তাঁর পরিকল্পনার বড় অংশই হলো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিয়মিত খেলার সুযোগ তৈরি করা। সেই জায়গা থেকে দেখলে বাংলাদেশ সফর মালয়েশিয়ার জন্য আদর্শ একটি সুযোগ।

এখানেই বিশ্লেষণের জায়গাটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। মালয়েশিয়ার মতো উদীয়মান ক্রিকেট দলের জন্য বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ আয়োজন খুব সহজ বিষয় নয়। দুই বোর্ডের সমন্বয়, পারস্পরিক যোগাযোগ এবং পরিকল্পনা, সবকিছুই প্রয়োজন হয়। আর ঠিক এই জায়গাতেই ডেভ হোয়াটমোরের দীর্ঘদিনের বাংলাদেশ-সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে থাকতে পারে।

মালয়েশিয়ার লাভের দিক থেকে দেখলেও বিষয়টি স্পষ্ট। বাংলাদেশের হাই পারফরম্যান্স ও অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে খেলে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেটের স্বাদ পাচ্ছে। নিজেদের সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারছে, উন্নতির জায়গাগুলো খুঁজে পাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রস্তুতির সুযোগ পাচ্ছে। এমন একটি সফর তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। যা সম্ভব হয়েছে হয়তো ডেভ হোয়াটমোরের জন্যই।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link