মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না – সাব্বির রহমানকে ঘিরে এই আক্ষেপ বহুকালের। অনেকদিন বাদে সেই আক্ষেপের এক ঝলক ‘কারণ’ দেখা গেল অস্ট্রেলিয়ান ময়দানে।
১৫৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১২ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। এরপরই ত্রাতা য়ে হাজির হন সাব্বির রহমান। একপাশে দাঁড়িয়ে তান্ডব শুরু করেন। দূর্দান্ত সব শট, কখনও মিড উইকেটের উপর দিয়ে কখনও বা লং অফকে টার্গেট করে রান আদায় করতে থাকেন তিনি।
একপ্রান্ত আগলে রাখেন সাব্বির রহমান। হাফ সেঞ্চুরি পেয়ে যান। শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে বাংলাদেশ হাইপারফরম্যান্স ইউনিট জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে। ৪৫ বল খেলে ৫৯ রান করেন সাব্বির। দু’টি ছক্কা আর ছয়টি চারে সাজানো এই ইনিংস বাংলাদেশকে বড় টানা দ্বিতীয় জয়ের দুয়ারে নিয়ে যায়।

১৫ তম ওভারের শেষ বলে যখন ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে আউট হন সাব্বির, তখন জয়ের জন্য পাঁচ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৪০ রান। শেষ দিকের নাটকীয়তা শেষে বাংলাদেশ দল দুই বল বাকি রেখেই পৌঁছে যায় জয়ের বন্দরে। ১৩ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ব্যাট হাতে জয়ের এই ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন সাব্বির।
এর আগে মাত্র ১৩ রানে দুই উইকেট হারানো হোবার্ট হারিকেন্স টিগ ওয়েলির ব্যাটে একটু একটু করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ৭৮ রানের সেই ইনিংস লড়াই পুঁজি এনে দেয় হোবার্টকে। তবে বল হাতে বাংলাদেশের বোলাররা ছিলেন বেশ দুর্দান্ত। আগের ম্যাচেই চার উইকেট পাওয়া রুবেল এদিনও শিকার করেন তিন উইকেট।
চার ওভারে ৩৪ রানের বিনিময়ে রিপন মন্ডলের ঝুলিতে যায় দুই উইকেট। শেষমেষ ১৫৩ রানে থামে হোবার্ট। জবাবে সাব্বির রহমানের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেনি হোবার্ট, হারতে হয় তিন উইকেটের ব্যবধানে!











