জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়ছেন রুবেল!

মোহাম্মদ রুবেল বল হাতে নিলেই ব্যাটার উইকেট বিলিয়ে দেবেন। এটাই যেন টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে অলিখিত চুক্তি হয়েছে। নর্দান টেরিটরি স্ট্রাইকের বিপক্ষে ফাইফার তুলে সেটাই যেন প্রমাণ করলেন রুবেল। সেই সঙ্গে আসরে ছয় ম্যাচেই ২০ উইকেট নেওয়ার অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়লেন এই স্পিনার।

মোহাম্মদ রুবেল বল হাতে নিলেই ব্যাটার উইকেট বিলিয়ে দেবেন। এটাই যেন টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে অলিখিত চুক্তি হয়েছে। নর্দান টেরিটরি স্ট্রাইকের বিপক্ষে ফাইফার তুলে সেটাই যেন প্রমাণ করলেন রুবেল। সেই সঙ্গে আসরে ছয় ম্যাচেই ২০ উইকেট নেওয়ার অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়লেন এই স্পিনার।

ক্যারিয়ারের সবচেয়ে টার্নিং মোমেন্টে দাঁড়িয়ে আছেন রুবেল। লেখকের লেখার ভাষা ফুরিয়ে যাচ্ছে, কমেন্ট্রি বক্সে যেন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে বারবার। একটা মানুষ এতটা ধারাবাহিক হয় কী করে?

নিউজিল্যান্ড এ দলের বিপক্ষে কেবল এক উইকেট পেয়েছেন। বাকি এক ম্যাচেও তিনের নিচে নামেনি। এবার তো ফাইফারই তুলে নিলেন। এমন অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের পর আর কি তাকে অপচয় করা চলে?

 

নর্দান টেরিটরির বিপক্ষে নিজের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পেয়েছেন। ওভার শেষ হয়েছিল সাত রান খরচায়। তখনও কেউ ভাবেনি এই ম্যাচেও রুবেলের অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স দেখা যাবে।

নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরও এক কাঠি সরেস হয়ে এলেন। এবার একটাতে তৃপ্ত নন তিনি, পেলেন দুইখানা শিকার। এবারও খরচার খাতায় মোটে সাত। ম্যাজিক নিয়ে হাজির হলেন ১৫তম ওভারের মাথায়। এক রান দিয়ে আরও দুই উইকেট। হ্যাটট্রিক হাতছানি দিয়ে ডাকছিল তাঁকে। সেটা না হলেও ফাইফারটা নিজের তৃতীয় ওভারেই তুলে নেন তিনি, সেই ওভারে দিয়েছেন মোটে এক রান।

আর কোনো উইকেট পাননি, নর্দানের ব্যাটিং অর্ডার তখন ধুলোয় লুটোপুটি খাচ্ছে। চার ওভারে ২১ রান খরচায় পাঁচ উইকেট বাগিয়ে নেওয়া রুবেল যার কারিগর। এর আগের পারফরম্যান্সের সুবাদেই জাতীয় দলে ডাকার জোর আলোচনা চলেছে তাকে নিয়ে। সেই আলোচনা আরও একবার উসকে দিলেন রুবেল। এই ফাইফারের পর নিশ্চয় তাঁকে অবহেলা করা উচিত হবে না। প্রতিটা ম্যাচে যার হাতে সাফল্য ধরা দিচ্ছে, তাকে উপেক্ষা করলে আখেরে লসটা বাংলাদেশের হবে হয়তো। রুবেল তাই কড়া নাড়ছে জাতীয় দলের দরজায়, এটা বলাই বাহুল্য।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link