ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ব্যাট করতে নেমে ভারতের শুরুটাও ছিল দুর্দান্ত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নেমেই নির্ভীক ব্যাটিংয়ের পরিচয় দেন বৈভব সুরিয়াভানশি। মাত্র ১০ বলে ১৪ রান করলেও দুটি বিশাল ছক্কায় নিজের সামর্থ্যের ঝলক দেখান তিনি। অভিষেক শর্মার সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৫০ রান।
তবে যতটা ভালো শুরু করেছিল ভারত, সেই অনুযায়ী রান জমা করতে পারেনি স্কোরবোর্ডে। অভিষেক ফেরার পর মন্থর হয়ে যায় রান তোলার গতি। ইশান কিষাণের ৪০ বলে ৪৯ রানের ধীরগতির ব্যাটিংটাই এর জন্য দায়ী। শেষদিকে তিলক ভার্মার ২৪ রানের ক্যামিওতে ভর করে ১৯০ রান সংগ্রহ করে ভারত।

১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। প্রথম ওভারেই আর্শদীপ সিংয়ের আগুনঝরা বোলিংয়ে মাত্র এক রান তুলতেই হারিয়ে বসে দুই ওপেনার ফিল সল্ট ও জস বাটলারকে। শুরুটা দেখে মনে হচ্ছিল, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ভারতের হাতেই।
কিন্তু সেই চাপ দ্রুতই কাটিয়ে ওঠেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ১৫ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংসে ম্যাচের গতি পাল্টে দেন তিনি। এরপর দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন জ্যাকব বেথেল। তরুণ এই বাঁহাতি ব্যাটার শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৬ বলে ৭৬ রানে। পাঁচটি চার ও পাঁচটি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে ইংল্যান্ডকে জয়ের খুব কাছে নিয়ে যান তিনি। টম ব্যান্টনের ৩৯ রানের ইনিংসও স্বাগতিকদের পথ সহজ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত চার উইকেটের জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।
এই হারের ফলে শ্রেয়াস আইয়ারের অধিনায়কত্বে ভারতের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো। নিয়মিত টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে তার দল তিনটিতে হেরেছে, আর একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে। অর্থাৎ, একটা জয় যেন এখন সোনার হরিণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের কাছে।

Share via:










