১১ জুলাই হারারেতে যে জয়টা পেল বাংলাদেশ, সেটা আসলে কতটা আনন্দের—এই প্রশ্নটা তোলা দরকার ছিল অনেক আগেই। সিরিজ তখন জিম্বাবুয়ের পকেটে, তাই স্বাগতিকরা বিশ্রাম দিয়েছিল অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা, ব্লেসিং মুজারাবানি আর নিউম্যান নিয়ামহুরির মতো মূল বোলারদের। দ্বিতীয় সারির আক্রমণের সামনে ব্যাটিং সহজই মনে হয়েছে বাংলাদেশের কাছে।
সেই সহজ পথটা আরও মসৃণ করে দিয়েছে জিম্বাবুয়ের ফিল্ডিং। তানজিদ হাসান একবার নয়, তিনবার জীবন পেয়েছেন—তেইশ, সাঁইত্রিশ আর পঁয়ষট্টি রানের মাথায় ক্যাচ ফেলেছে প্রতিপক্ষ। প্রতিটা সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি থেমেছেন চুরানব্বই রানে, জিতে নিয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। সৌম্য সরকারের সঙ্গে তার শতাধিক রানের জুটিতে সাত উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এই জয় দিয়ে সিরিজের আসল ছবিটা ঢাকা পড়ে না। এক ম্যাচের টেস্টে ইনিংস ও পঁচাশি রানের বিশাল হারের পর ওয়ানডেতেও প্রথম দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ, তৃতীয় ম্যাচের জয়টা নেহাতই শান্ত্বনার।
এবার সামনে টি-টোয়েন্টি সিরিজ, বুলাওয়েওতে শুরু পনেরো জুলাই থেকে। আর এই সিরিজে দলটাকে চেনাই কঠিন হবে। নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসকে ছাড়াই মাঠে নামতে হচ্ছে, নেতৃত্বের ভার আবারও তওহিদ হৃদয়ের কাঁধে। চোটের কারণে ছিটকে গেছেন মোস্তাফিজুর রহমানও, তার জায়গায় ফিরেছেন তাসকিন আহমেদ। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের কারণে ছাড়পত্র পাওয়া মেহেদী হাসান মিরাজের অভাবও থাকছে দলে।

টেস্ট আর ওয়ানডেতে যে দুর্বলতাগুলো একের পর এক প্রকাশ পেয়েছে, সেগুলো নিয়েই এখন মাঠে নামতে হবে এই বদলে যাওয়া দলটাকে। প্রশ্ন একটাই—দ্বিতীয় সারির প্রতিপক্ষের সামনে যে ব্যাটিং সহজ মনে হয়েছিল, পূর্ণ শক্তির জিম্বাবুয়ের সামনে সেই আত্মবিশ্বাস কি টিকবে?











