নারী টি-টোয়েন্টিতে সপ্তম শিরোপা অস্ট্রেলিয়ার!

লর্ডসের ফাইনাল যেন শুরু থেকেই একটাই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিল: ইংল্যান্ড কি ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাবে, নাকি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও অস্ট্রেলিয়ারই আধিপত্যের গল্প লেখা হবে?

লর্ডসের ফাইনাল যেন শুরু থেকেই একটাই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিল: ইংল্যান্ড কি ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাবে, নাকি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও অস্ট্রেলিয়ারই আধিপত্যের গল্প লেখা হবে? শেষ পর্যন্ত উত্তর মিলেছে দাপটের সঙ্গেই। অনায়াসেই সাত উইকেটের জয়ে রেকর্ড সপ্তম বিশ্বকাপ শিরোপা হাতে তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত আসে অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে। বোলাররাও সেই আস্থার পূর্ণ প্রতিদান দেন। এলিস পেরি চোটের কারণে বল না করলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ইংল্যান্ডকে ২০ ওভারে আটকে রাখা হয় ১৫০ রানে। ইংল্যান্ড অধিনায়ক ন্যাট স্কিভার-ব্রান্ট ৫৩ বলে অপরাজিত ৫৮ এবং ফ্রেয়া কেম্পের ২৮ বলে ৪৪ রানের ঝড়ো ইনিংস শেষ দিকে লড়াইয়ের পুঁজি গড়ে দেয় স্বাগতিকদের।

এই ইনিংসের মাঝেই আরেকটি ইতিহাস গড়ে ফেলেন স্কিভার-ব্রান্ট। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক ৫০-এর বেশি রানের ইনিংসের মালিক এখন তিনিই। ৩১ ইনিংসে এটি ছিল তাঁর নবম ফিফটি, যেখানে নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটসের আট ফিফটির রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে উঠে যান ইংলিশ অধিনায়ক। একই সঙ্গে নকআউট পর্বে তাঁর এটি তৃতীয় পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস, যা তাঁকে এই তালিকাতেও অন্যতম সেরাদের কাতারে নিয়ে গেছে।

পরে ব্যাট হাতে অস্ট্রেলিয়া বুঝিয়ে দেয় কেন তারা এখনও বিশ্ব ক্রিকেটের মানদণ্ড। ফিবি লিচফিল্ড ৩৫ বলে ৪৮ এবং বেথ মুনির ৪৯ বলে ৬৪ রানের ইনিংসে ভর করে ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণকে কার্যত অসহায় করে তোলে অজিরা। ১৭তম ওভারের প্রথম বলে তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। এই শিরোপা শুধু আরেকটি ট্রফি নয়, নারী ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘদিনের আধিপত্যের এক উজ্জ্বল নজির হাজির করল।

 

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

Share via
Copy link