ভ্যানকুভারে ইতিহাস লিখছে কানাডা!

ভ্যানকুভারের বিসি প্লেস আজ রাতে যেন ডেভিডের একক মঞ্চ। লাল-সাদা গ্যালারি গর্জে উঠছে বারবার, আর মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে জোনাথান ডেভিড একের পর এক কাতারের বুকে ছুরি বসিয়ে যাচ্ছেন।

ভ্যানকুভারের বিসি প্লেস আজ রাতে যেন ডেভিডের একক মঞ্চ। লাল-সাদা গ্যালারি গর্জে উঠছে বারবার, আর মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে জোনাথান ডেভিড একের পর এক কাতারের বুকে ছুরি বসিয়ে যাচ্ছেন।

২৯ মিনিটে প্রথম আঘাতটা এসেছিল তাজন বুকানানের প্রচেষ্টা থেকে। বল পেয়ে একটুও দেরি করেননি ডেভিড — সুযোগ বুঝে জাল কাঁপিয়ে দিলেন নিমেষেই। কাতারের রক্ষণ তখন হতভম্ব। কিন্তু সেটাই শেষ নয়। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে আবারও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠলেন তিনি। এবার সহায়তায় সাইল লারিন — যিনি ১৬ মিনিটে নিজে গোল করে কানাডার জয়ের স্বপ্নে আগুন জ্বালিয়েছিলেন, এবার সেই আগুনে ঘি ঢাললেন ডেভিডকে সুযোগ করে দিয়ে। গোলরক্ষককে কোনো সুযোগ না দিয়ে বল পাঠালেন জালে —ব্যবধান ৩-০।

এক ম্যাচে দুই গোল, একই খেলোয়াড়ের পায়ে — জোনাথান ডেভিড আজ যেন অন্য মাত্রায় খেলছেন। কানাডার বিশ্বকাপ ইতিহাসে এখনও কোনো জয় নেই, সেই অপেক্ষার বোঝা বুকে নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন তারা। কিন্তু আজকের প্রথমার্ধ দেখে মনে হচ্ছে সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান এখন শুধু সময়ের ব্যাপার।

অন্যদিকে কাতারের অবস্থা এখন রীতিমতো সংকটজনক। সুইজারল্যান্ডের কাছে হারের পর আজ প্রথমার্ধেই তিন গোল হজম করে তারা কার্যত কোণঠাসা। গ্রুপ পর্ব থেকে টিকে থাকতে হলে দ্বিতীয়ার্ধে অসাধ্য সাধন করতে হবে আকরাম আফিফদের। সেই অলৌকিক কিছু কি আদৌ ঘটবে ভ্যানকুভারে?

Share via
Copy link