যুক্তরাষ্ট্র পেরিয়ে কানাডার টরেন্টো স্টেডিয়ামে আলো জলে উঠল বিশ্বকাপে। উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচে জয়-পরাজয়ের সমীকরণ ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে কানাডা ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনাকে।
গ্রুপ ‘বি’-এর মহারণে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য বজায় রেখেছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু খেলার ২১তম মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণে বড় ধাক্কা খায় কানাডা। একটি কর্নার কিক থেকে অসাধারণ হেডে বল জালে জড়িয়ে বসনিয়াকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ফরোয়ার্ড জোভো লুকিচ।
পিছিয়ে পড়ার পর কানাডীয় শিবির যেন আরও মরিয়া হয়ে ওঠে। গোল শোধের তাড়নায় প্রথমার্ধজুড়ে বসনিয়ার রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। কানাডার আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা বারবার সুযোগ তৈরি করেও ফিনিশিংয়ের অভাবে বারংবার হতাশ হয়েছেন।

দ্বিতীয়ার্ধের চিত্রনাট্য ছিল আরও নাটকীয়। শুরু থেকেই একের পর এক অ্যাটাকে বসনিয়াকে চাপে ফেলতে শুরু করে স্বাগতিকরা। কিন্তু একের পর এক শট আটকে দেন বসনিয়ার গোলকিপার নিকোলা ভাসিলজ।
অবশেষে ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে কানাডার গোলখরা কাটান কাইল লারিন। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তাঁর ডান পায়ের বুলেট গতির শট বসনিয়ার রক্ষণব্যূহ ভেঙে জালে জড়িয়ে স্কোরলাইনে সমতা ফেরায়।
ম্যাচের শেষ দিকে বসনিয়ার অধিনায়ক সেয়াদ কোলাশিনাৎ ইনজুরিতে পড়লে সাময়িক উত্তাপ ছড়ায় ম্যাচে। তবে শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়ে দুই দল। ড্র দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও কানাডা তাদের লড়াইয়ের তেজ দিয়ে সমর্থকদের আশ্বস্ত করেছে।












