গেইলের টেস্ট-অনুভূতি

সীমিত ওভারের ক্রিকেটের দস্যু তিনি। তিনি টি-টোয়েন্টির ফেরিওয়ালা। তবে, ক্রিস গেইলের মনের একটা অংশ জুড়ে আজো আছে টেস্ট ক্রিকেট। অথচ, এই ফরম্যাটটা ২০১৪ সালের পর থেকে আর খেলেননি গেইল।

ভারতীয় ক্রিকেটের মায়াঙ্ক আগারওয়ালের একটা অনলাইন শো-তে হাজির হয়ে গেইল জানালেন তাঁর টেস্ট-অনুভূতির কথা। তিনি বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেট হল চূড়ান্ত অধ্যায়। টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারাটা জীবনকে জানার একটা বড় সুযোগ, কারণ পাঁচদিনের ক্রিকেট খেলাটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। এটা অনেকবার আপনার পরীক্ষা নেই, নিশ্চিত করে আপনি পুরোটা সময় যেন নিয়ম মেনে চলেন। টেস্ট ক্রিকেট আপনাকে কঠিন পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার শিক্ষা দেয়।’

গেইলের বিরুদ্ধে পুরনো অভিযোগ হল, তিনি ছোট ফরম্যাটে বেশি মনোযোগী। তবে, ৪০ বছর বয়সী গেইল তরুণদের বললেন, টেস্টের দক্ষতা অর্জন করতে।

গেইলের ভাষ্য, ‘টেস্ট ক্রিকেট খেলার অর্থ হল দক্ষতার পরীক্ষা নেওয়া আর মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তোলা। এটা আপনাক নিবেদিত করে, নিজের কাজটা উপভোগ করতে শেখায়। এটা শুধু খেলাধুলার জীবনের জন্য না, জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সত্য। একটা বিষয় কাজ না কররে, আরেকটা সুযোগ আপনার জন্য আসবেই। তাই, কখনোই মনকে ছোট করতে নেই – সেটা আপনি ক্রিকেটার হন কিংবা না হন।’

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link