বৃথা গেল কনোলির সেঞ্চুরি!

গত কয়েক ম্যাচে যেন নিজেদের হারিয়ে খুঁজে ফিরছে পাঞ্জাব কিংস। এমনই এক দিনে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে প্রকৃত রূপে দেখা গেল কনোলিকে।

ক্রিকেট মাঠ যেন যুদ্ধেরই এক ময়দান। যেখানে শক্ত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দলের সকলে মিলে লড়াই করতে হয় জয় ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য। একা লড়াই এখানে বৃথা যায়। তবে, তারপরেও মাঝে মাঝে আমরা বীরদের দেখি যারা নিশ্চিত পরাজয় জেনেও বুক ফুলিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। কুপার কনোলিও তেমনই এক বীর হয়েছিলেন পাঞ্জাব কিংসের জন্য। কিন্তু, সঙ্গীর অভাবে বৃথা গেল তাঁর শতরান।

লখনৌ সুপার জায়ান্টসের সাথে ম্যাচে ৮৭ রানের এক ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছিলেন। এর বাইরে নানা ম্যাচে তাঁর প্রতিভার কিছুটা চিহ্ন দেখা গেলেও বড় ইনিংস দেখা যায়নি। গত কয়েক ম্যাচে যেন নিজেদের হারিয়ে খুঁজে ফিরছে পাঞ্জাব কিংস। এমনই এক দিনে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে প্রকৃত রূপে দেখা গেল কনোলিকে।

আগে ব্যাট করে হায়দ্রাবাদ ঘরের মাঠে নিজেদের ব্যাটিং নৈপূণ্যে ২৩৬ রানের বিশাল এক লক্ষ্য দেয় পাঞ্জাবের জন্য। যা একা হাতে ডিঙিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না কোনোভাবেই ২০ ওভারের ক্রিকেটে। কিন্তু, কনোলি যেন শেষ দেখেই ছাড়বেন এমন প্রতিজ্ঞা নিয়ে মাঠে এসেছিলেন। তাই চেষ্টা করে গেছেন একেবারে শেষ পর্যন্ত।

ওপেনারদের ব্যর্থতার কারণে কনোলিকে ক্রিজে আসতে হয় প্রথম ওভারেই। তারপর একে একে অন্য প্রান্তের ব্যাটারকে মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়তে দেখেছেন। প্রভসিমরান সিং থেকে শুরু করে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার কিংবা স্বদেশী মার্কাস স্টয়েনিস, কনোলিকে বিশাল রানের চাপ থেকে নিষ্কৃতি দিতে পারেননি কেউই।

নি:সঙ্গ এই লড়াইয়ে কনোলি ধীরে ধীরে ইনিংস বড় করার কাজটা করেছেন। প্যাট কামিন্সদের ভালো বলগুলোকে দেখে খেলেছেন আর আঘাত হেনেছেন দুর্বল বলে। ২২ গজের এই লড়াইটা চালিয়ে যান পুরো ২০ ওভার পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত সাত চারের সাথে আট ছক্কার মারে নামের পাশে ১০৭ রান যোগ করতে সক্ষম হন।

২৩৬ রানের লক্ষ্যটা পাঞ্জাব ঠিকই আজ ডিঙিয়ে ফেলতে পারতো যদি কনোলির সাথে ব্যাট হাতে আর কেউ দাঁড়াতে পারতেন। কেউ পারেননি সেই কাজটা করতে, তাই পাঞ্জাবকে থেমে যেতে হয়েছে ২০২ রানে। ৩৩ রানের এই পরাজয়ে তিন ম্যাচ মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়তে হলো শ্রেয়াস আইয়ারের দলকে।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link