হ্যারি কেইনের দাপটে বাঁচল ইংল্যান্ডের মান!

৭৪ মিনিট পর্যন্ত বিদায়ের কিনারায় দাঁড়িয়ে ছিল ইংল্যান্ড। ডিআর কঙ্গোর রূপকথা তখন যেন আর মাত্র কয়েকটি মিনিট দূরে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব হিসাব পাল্টে দিলেন হ্যারি কেন।

৭৪ মিনিট পর্যন্ত বিদায়ের কিনারায় দাঁড়িয়ে ছিল ইংল্যান্ড। ডিআর কঙ্গোর রূপকথা তখন যেন আর মাত্র কয়েকটি মিনিট দূরে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব হিসাব পাল্টে দিলেন হ্যারি কেন। অধিনায়কের জোড়া গোলে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

ম্যাচের শুরুতেই চমকে দেয় ডিআর কঙ্গো। ইংল্যান্ডকে একটুও সময় না দিয়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আফ্রিকার দলটি। এরই পুরস্কার আসে নবম মিনিটে। অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বার নিখুঁত পাস থেকে গোল করেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা।

গোল হজমের পর থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইংল্যান্ড। বল দখল, আক্রমণ, সুযোগ সৃষ্টি—সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। কিন্তু গোলের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন লিওনেল এমপাসি নামের এক অদম্য প্রাচীর। তাতেই সব আক্রমণ ভেস্তে যাচ্ছিল, হতাশায় মাথায় হাত দেওয়ার উপক্রম তখন ইংলিশদের।

দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। সবকিছু করেও গোলের খোঁজ মিলছিল না। তবে কি আরেকটা অঘটন ঘটবে? এমন দুশ্চিন্তা যখন গ্রাস করতে শুরু করেছে, তখন কেনের ম্যাজিক। ৭৫ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন। তাঁর ঠিক ১১ মিনিট পরই জয়সূচক গোল করে স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন ইংল্যান্ড শিবিরে, স্থির হয়ে যায় কঙ্গোর রূপকথা।

২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে শেষ ষোলোয় পা রাখল ইংল্যান্ড। রূপকথা লিখতে না পারলেও কঙ্গো যে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে, একটা টুপিখোলা সম্মান তাই তাদের প্রাপ্যই।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link