দল বেড়ে যাওয়ায় যেখানে থ্রিল কমে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখেছিলেন অনেকে, সেখানে সবাইকে ভুল প্রমাণ করে চলেছে এবারের বিশ্বকাপ। ৩২ থেকে ৪৮ দলের এই বিশাল মঞ্চে ফুটবল বোদ্ধাদের সব আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে মাঠের লড়াইয়ে জন্ম নিচ্ছে একের পর এক রোমাঞ্চকর উপাখ্যান।
প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে এসেই বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে কেপ ভার্দে। স্পেনকে গোলশূন্য রুখে দেওয়ার পর, ২-২ গোলে তারা ড্র করেছে শক্তিশালী উরুগুয়ের সাথে। মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ জনসংখ্যার এই দেশটি এখন স্বপ্ন দেখছে নকআউটের।
বিস্ময়ের তালিকায় আছে কুরাসাও-এর নামও। বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট এই দেশ ইকুয়েডরকে গোলশূন্য রুখে দিয়ে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট অর্জন করেছে। গোলরক্ষক এলয় রুমের ১৫টি চোখধাঁধানো সেভ যেন মনে করিয়ে দেয় সুপারম্যানের কথা।

দীর্ঘ আটাশ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে স্কটল্যান্ডও তাদের চিরচেনা ফ্যানদের আনন্দের জোয়ারে ভাসাচ্ছে। হাইতিকে হারিয়ে শুভসূচনা করা স্কটিশদের সামনে এখন ব্রাজিলের কঠিন চ্যালেঞ্জ। মরক্কোর সাথে হারের পরেও তাদের সামনে সুযোগ থাকছে পরের রাউন্ডে যাওয়ার।
এদিকে অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়েকে হারিয়ে দাপটের সাথেই নকআউট নিশ্চিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কোচ মরিসিও পচেত্তিনো তাই পরবর্তী ম্যাচে দলের সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকসহ কার্ডের ঝুঁকিতে থাকা খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
বড় দল হিসেবে পরিচিতি নেই, দলে নেই বিশ্বখ্যাত কোনো তারকা; কিন্তু তাও মাঠে নেমে শ্বাসরুদ্ধকর সব পারফরম্যান্স করে যাচ্ছে অনেক দেশ। ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ বলা হয় সেটাই যেন প্রমাণ করে দিচ্ছে এবারের আসর। একের পর এক থ্রিলিং ম্যাচ জানিয়ে দিচ্ছে, বড় বাড়লেও থ্রিল কিন্তু এক ফোঁটাও কমেনি।











