যে বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল সমালোচনা দিয়ে, সেখানেই প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। প্রথম ম্যাচে ৩০ মিনিটে বল একবারও স্পর্শ করতে না পেরে জর্জরিত হয়েছিলেন সমালোচনার ধাক্কায়, সেই তিনিই এখন এবারের বিশ্বকাপে স্পেনের সর্বোচ্চ গোলদাতা। জোড়া গোল করে স্পেনকে নিয়ে গেলেন শেষ ষোলোর মঞ্চে।
প্রথম ম্যাচের সমালোচনার পরই ওয়ারজাবাল ঘুরে দাঁড়ান সৌদি আরবের বিপক্ষে। গ্রুপপর্বের সেই ম্যাচে করেন জোড়া গোল। নকআউটে অস্ট্রিয়াকে সামনে পেয়ে খুঁজতে থাকেন সুযোগ।
প্রথমার্ধে গোলহীনতার মাঝে স্পেনের ত্রাতা হয়ে আসেন ওইয়ারসাবাল। ৩৬ মিনিটে কুকুরেয়ার বাড়িয়ে দেওয়া পাস থেকে বাম পায়ের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে পরাস্ত করেন গোলরক্ষককে। এক গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় স্পেন।

সেকেন্ড হাফেও অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগের জন্যে ভয়ের নাম হয়ে উঠতে থাকেন ওইয়ারসাবাল। মিডফিল্ড থেকে তৈরি করে দেওয়া বল পায়ে এলেই সুযোগ খুঁজতে থাকেন জালে জড়ানোর। যদিও বারে বারে আটকে যাচ্ছিলেন কিন্তু শেষ সুযোগ আসে ৮৯ মিনিটে।
অস্ট্রিয়ার ডিফেন্সের ভুলে বল যখন পান ডিবক্সের ভেতরে, তখন গোলরক্ষক ছাড়া সামনে আর কেউ ছিল না। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি। এবারের বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ গোল করে স্পেনের জয় নিশ্চিত করেন।
শুরুটা হয়েছিল একরাশ সমালোচনা দিয়ে। কিন্তু, সমাপ্তিটা আর তেমন করতে দিলেন না ওইয়ারসাবাল। রূপকথার এক গল্প যেন এবারের বিশ্বকাপে লিখলেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।











