যেমন একটা সকালের প্রত্যাশা ছিল তেমনই হয়েছে মিরপুরে। প্রতিপক্ষের চারটি উইকেট একটি সেশনেই আদায় করে নিয়েছে বাংলাদেশ দল। দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
যদিও, এর আগে সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন আজান আওয়াইশ। মিরপুরে সেই নাহিদ রানার বলেই সিঙ্গেল নিয়ে সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছে যান। আগেরদিন নাহিদের বাউন্সারে জর্জরিত হয়েই টেস্ট ক্রিকেটে যাত্রা শুরু করেছিলেন। অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি করাদের মধ্যে তিনি ১৪ তম পাকিস্তানি।
সেঞ্চুরির পর অবশ্য তাঁর ইনিংস বড় হয়নি। স্লিপে দাঁড়িয়ে তাসকিন আহমেদের বলে দারুণ এক ক্যাচ নিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। বাংলাদেশের অধিনায়কের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হওয়ার আগে অভিষিক্ত আজান করেন ১০৩ রান। দিনে সেটাই বাংলাদেশর প্রথম সাফল্য।

তখন থেকে শুরু করে মাত্র ২০ রানের মধ্যে চারবার আঘাত হানে বাংলাদেশ। আরেক অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ ফজল ৬০ রান করেন। সৌদ শাকিল রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন। অধিনায়ক শান মাসুদ করেন মাত্র নয় রান।
২০ রানে কার্যত পাঁচটা উইকেটই হারাতে পারত পাকিস্তান। সালমান আলী আঘা আউট হয়ে সাজঘরেই ফিরে যাচ্ছিলেন, তাকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে উল্লসিত ছিলেন তাসকিন আহমেদ।
পাকিস্তানের ষষ্ঠ উইকেটের পতন। রানের খাতাই খুলতে পারেননি সালমান। কিন্তু, তখনই দৃশ্যপটে আসেন আম্পায়ার। ওভার স্টেপিংয়ের জন্য নো বল ডাকেন। হতাশা গ্রাস করে বাংলাদেশ দলকে। লাঞ্চে যাওয়ার আগে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ২৫১ রান করে পাকিস্তান।










