শেষটাতে আর কোনো ভুল করেনি পাকিস্তান। পাকিস্তানকে ভুল করতে দেননি শাদাব খান। আরও একবার দলের বিপদে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন। তাতেই চার উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে সিরিজ জিতে নেয় পাকিস্তান।
আগে ব্যাট করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা অবশ্য হয়েছিল দুঃস্বপ্নের মতো। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন ম্যাথিউ শর্ট। সাময়িক ধাক্কা সামলে নিতে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। ১১৯ রান পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। তিন উইকেট হারিয়েছে তখন তারা।
এরপরই শাহীন শাহ আফ্রিদির ছোবল। ২৭তম ওভারে এসে তুলে নেন জশ ইংলিস এবং ক্যামেরন গ্রিনকে। এরপর আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি অজি শিবির। একে একে আত্মাহুতি দিতে বাধ্য হয় ব্যাটাররা। অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় মাত্র ১৫৭ রানে।

এমনিতেই লক্ষ্যটা আহামরি কিছু নয়। তার উপর ঝড়ের গতিতে রান তুলতে থাকে পাকিস্তান। মনে হচ্ছিল অনায়াসেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যাবে পাকিস্তানের তরী। তবে বিপদ তো আর বলে কয়ে আসে না, অস্ট্রেলিয়া মরণ কামড় দিয়ে বসে। তাতেই একে একে উইকেট হারাতে থাকে তারা।
বাবর আজম অবশ্য একটা সময় পর্যন্ত আঁকড়ে ছিলেন ক্রিজকে। ৮৪ বলে তার ব্যাট থেকে আসে ৪০ রানের ইনিংস। তবে ১১২ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলার পর আবারও শঙ্কার কালো মেঘ জেকে বসে পাকিস্তানের আকাশে।
সেই অবস্থায় আবারও ত্রাতা হয়ে আসেন শাদাব খান। বল হাতে দুই উইকেট শিকারের পর, ব্যাট হাতে ২৯ রানের ইনিংস খেলে নির্ভার করে দেন পাকিস্তানকে। চার উইকেট হাতে রেখেই নির্ধারিত লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে শাহীনের দল। ২-১ ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় সিরিজ।











