একসময় যিনি একাই ম্যাচের পর ম্যাচ ফলাফল পালটে দিতে পারতেন তিনিই এখন মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়েন প্রতিদিন। অবশেষে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন নিকোলাস পুরান। কিন্তু, লখনৌ সুপার জায়ান্টসের জন্য তাঁর জ্বলে ওঠা হলো বড় অবেলায়।
আজকের আগে আট ইনিংসে নেমে পাঁচবার ফিরেছেন এক অংকের ঘরে। সর্বোচ্চ মাত্র ২২। নিকোলাস পুরানের মতো ব্যাটারের নামের সাথে এই পরিসংখ্যান যেন কোনোমতেই যায় না।
অবশেষে যেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে পেয়ে জেগে উঠলো পুরানের ভেতরের দানব। লখনৌ আগে ব্যাট করতে নামলে জস ইংলিশ আউট হলে পুরান ক্রিজে আসেন তৃতীয় ওভারে। তারপর যতক্ষণ ছিলেন, ভয় ধরিয়ে গেছেন বোলারদের মনে।

নিজের দিনে পুরান কতটা ভয়ানক হতে পারেন সেটারই প্রমাণ দেখা গেল। জাসপ্রিত বুমরাহ, দীপক চাহাররা বল করতে এসে হালে পানি পাননি তার বিরুদ্ধে। পুরানের সামনে হয়ে যেতে হয়েছে অসহায়।
মাত্র ২১ বল খেলেছিলেন। তাতেই এক চারের সাথে বাউন্ডারির বাইরে উড়িয়ে মেরেছেন আটবার। আউট হওয়ার আগে ৩০০ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসে নামের পাশে জমা হয়েছে ৬৩ রান।
আইপিএল অর্ধেকের বেশি শেষ হয়ে গেছে। দল হিসেবে লখনৌ সুপার জায়ান্টসের পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান অত্যন্ত নাজুক। বাকি থাকা সব ম্যাচ জিতেও যেখানে প্লে-অফে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, তেমন দিনে তাই পুরানকে জ্বলে উঠতে দেখে খারাপ লাগে।











