সব হারিয়ে একটা শেষ চেষ্টা করেছিলেন রজত পাতিদার। লখনৌ সুপার জায়ান্টসের সামনে যখন একের পর এক সৈন্য অসহায় আত্মসমর্পণ করল তখন একাই রুখে দাঁড়ান। পরাজয়টাই শেষ পরিণতি জানতেন, তবে লড়াই থামাননি। শেষটাতে অবশ্য পূর্ণতা পেল না তাঁর অসম লড়াই।
মিচেল মার্শের ঝড়ের রাতে ২০৯ রানের পাহাড় জমা করে লখনৌ। মাঝে অবশ্য বৃষ্টি এসে কেড়ে নেয় এক ওভার। অর্থাৎ ১৯ ওভারে গড়ায় ম্যাচ আর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর লক্ষ্য দাঁড়ায় ২১৩।

এই রান চেজ করতে হলে শুরুতেই কাউকে না কাউকে দাঁড়াতে হতো। কেউ সেটা পারেননি। স্বয়ং বিরাট কোহলিই বিদায় বলেন রানের খাতা খোলার আগে। মঞ্চে আসেন সেনাপতি পাতিদার। এক অসম্ভবকে তাড়া করার সিদ্ধান্ত নেন। দেবদূত পাদ্দিকালের সাথে ৯৫ রানের জুটি গড়ে বাঁচিয়ে রাখেন ব্যাঙ্গালুরুর সম্ভাবনা। অবশ্য এই জুটির ৬০ রানই পাতিদারের মালিকানাধীন।
তবে শত্রুপক্ষের সামনে আর বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। ৩১ বলে ৬১ রানের এক ঝড় থামিয়ে মঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ান, আর সেই সাথে দলের সম্ভাবনার দ্বীপটা নিভে যেতে থাকে একটু একটু করে।

টিম ডেভিডও চেষ্টা করেছিলেন শেষবেলায়। ১৬ বলে ৪০ করে যখন বিদায় নেন ব্যাঙ্গালুরুর কফিনে শেষ পেরেকটা গেঁথে যায় তখনই। শেষ ওভারে ২০ রানের সমীকরণ দাঁড়ালেও দিগভেশ রাঠির ভেলকিতে নয় রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লখনৌ।
Share via:










