টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচেই চার উইকেট বাগিয়ে নিয়েছিলেন ১৮ রানের বিনিময়ে। তবে ওটা যে সূচনা, একই ধারা টেনে নিয়ে এসেছেন পরের সব ম্যাচেই। দ্বিতীয় ম্যাচে হোবার্ট হ্যারিকেন্সের বিপক্ষে তিন উইকেট গেছে পকেটে।
টানা দুই ম্যাচের সাফল্য যেন আরও বেশি তাতিয়ে তুলেছিল তাকে। ভিক্টোরিয়া একাডেমির বিপক্ষে আরও চার উইকেট শিকার যেন তারই প্রমাণ। তবে সব কিছুর তো একটা শেষ আছে। এমন ধারাবাহিকতা ধরে রাখা তো চাট্টিখানি কথা নয়। তবে রুবেল থামলেন না।

অ্যাডিলেডের বিপক্ষে যতবারই উইকেটের দরকার হয়েছে, ততবারই রুবেল হাজির হয়েছেন ত্রাতা হয়ে। ওপেনিং জুটিতেই ৩৪ রান চলে আসে প্রতিপক্ষের। তাও বেশ দ্রুতগতিতেই। অগত্যা নিজের দ্বিতীয় ওভারের মাথায় তুলে নিলেন কনোর ক্যারলকে।
অবশ্য এরপর আর সাফল্য পাননি। মনে হচ্ছিল, এই ম্যাচে অন্তত উইকেট সংখ্যা থাকবে তিনের নিচে। তবে কিসের কী। ১৭তম ওভারের মাথায় শেষবারের মতো আক্রমণে এলেন তিনি। চতুর্থ এবং ষষ্ঠ বলে দুই ব্যাটারকে ফেরালেন সাজঘরে। অর্থাৎ আরও তিনখানা গেল নামের পাশে।
এই ম্যাচে চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩০ রান খরচা করেছেন। সাথে তিন উইকেট। অন্য ম্যাচগুলোর তুলনায় ইকোনমিটা একটু বেশি। তাতে কী, তিন শিকার যে নামের পাশে আছেই।

টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে এখনও পর্যন্ত চার ম্যাচ খেলে উইকেট তুলেছেন ১৪টি। টি-টোয়েন্টিতে এমন পারফরম্যান্স যে তার সামনে বড় সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে হয়তো।
Share via:










