পারফর্ম করেও বারবার বাদ, ক্ষুব্ধ শেখ মেহেদী

মাঠে নিজের সেরাটা উজার করে দেওয়ার পর ড্রেসিংরুম থেকে শুনতে হয় - পরের ম্যাচে আর জায়গা নেই। এটা যেন শেখ মেহেদী হাসান ক্যারিয়ার জুড়েই এক প্রকার নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার।

মাঠে নিজের সেরাটা উজার করে দেওয়ার পর ড্রেসিংরুম থেকে শুনতে হয় – পরের ম্যাচে আর জায়গা নেই। এটা যেন শেখ মেহেদী হাসানের ক্যারিয়ার জুড়েই এক প্রকার নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। অবশেষে তাঁর সাথে করা এই অবিচার নিয়ে সে নিজেই ক্ষোভ ঝাড়লেন।

এমন আচরণের উদাহরণ দিতে গেলে স্মৃতির পাতায় খুব বেশি পৃষ্ঠা উল্টোনোর প্রয়োজন নেই। এই তো সদ্য সমাপ্ত অস্ট্রেলিয়া সিরিজের কথাই ধরুন। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ব্যাটে-বলে অনবদ্য পারফরম্যান্স করেছিলেন মেহেদী।

ব্যাক্তিগত চার ওভারে মাত্র ৭.২৫ ইকোনমিতে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পাশাপাশি তুলে নিয়েছিলেন টিম ডেভিডের গুরুত্বপূর্ণ একটি উইকেট। ব্যাট হাতেও খেলেছেন ২২ বলে ২৯ রানের এক কার্যকরী ইনিংস। অথচ এই পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে দ্বিতীয় ম্যাচে তাকে জায়গা নিতে হয়েছে বেঞ্চে। এ যেন তাঁর পুরো ক্যারিয়ারেরই একটি প্রতিকীরূপ।

নিজের দীর্ঘদিনের হতাশার কথাগুলো কোনো রাখঢাক না রেখেই এবার সামনে এনেছেন মেহেদী। তিনি বলেন, ‘কখন ভাইস ক্যাপ্টেন বানালো, কখনো বাদ দিলো কিছুই জানি না। সবসময় কেন আমাকেই বাদ দিতে হয়? পারফর্ম করেও পরের ম্যাচে বাদ।’

​মেহেদীর প্রশ্ন, দলের প্রয়োজনে যিনি নিয়মিত অবদান রাখছেন, তাঁকেই কেন বারবার অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হচ্ছে? অন্যদের ক্ষেত্রে সুযোগের যে ধারাবাহিকতা দেখা যায়, মেহেদীর বেলায় যেন তার বড্ড অভাব।

খুব সচরাচর বোর্ডের বিপক্ষে এমন খোলাখুলি কথা বলতে দেখা যায় না কোনো চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারকে। কিন্তু মেহেদী সেই সৎ সাহসটুকু দেখিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, তাঁর এই সাহসী উচ্চারণ নীতিনির্ধারকদের কানে পৌঁছায় কি না।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link