শেষ ৩২-এর ম্যাচে দেখেছিলেন লাল কার্ড। নিয়ম বলছিল, রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হবে। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে নাটকের শেষ দৃশ্যটা লেখা হলো অন্যভাবে। যুক্তরাষ্ট্র স্বস্তি পেল, কারণ বেলজিয়ামের বিপক্ষে ফিরছেন তাদের অন্যতম ভরসা ফরোয়ার্ড ফলারিন বালোগান।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ের আগে ফিফা নিশ্চিত করেছে, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে সরাসরি লাল কার্ড দেখায় বালোগানের যে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা হয়েছিল, সেটির কার্যকারিতা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলে সোমবার সিয়াটলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামতে আর কোনো বাধা থাকছে না।
ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি জানিয়েছে, শাস্তি বাতিল হয়নি, বরং এক বছরের পর্যবেক্ষণ মেয়াদে স্থগিত রাখা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে একই ধরনের গুরুতর অপরাধ করলে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হবে এবং আগের শাস্তির পাশাপাশি নতুন শাস্তিও কার্যকর হবে।

তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত ফুটবল দুনিয়ায় নতুন নয়। এর আগে পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের বিধান প্রয়োগ করেছিল ফিফা। তাই বালোগানের ঘটনাও শৃঙ্খলা বিধির ব্যতিক্রম নয়, বরং সেই নিয়মেরই একটি প্রয়োগ।
অবশ্য লাল কার্ডটি নিয়েই বিতর্কের শেষ হয়নি। প্রথমে রেফারি রাফায়েল ক্লাউস কোনো কার্ড না দেখালেও ভিএআরের পরামর্শে মনিটরে রিপ্লে দেখে গুরুতর ফাউলের সিদ্ধান্ত নেন। সেই রায়ের তীব্র সমালোচনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মৌরিসিও পোচেত্তিনো। তাঁর দাবি, এটি ইচ্ছাকৃত নয়, ফুটবলের স্বাভাবিক একটি সংঘর্ষ ছিল।
সব বিতর্ক পেছনে রেখে এখন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় স্বস্তির নাম বালোগান। এবারের বিশ্বকাপে খেলা প্রতিটি ম্যাচেই গোল বা অ্যাসিস্টে অবদান রাখা এই স্ট্রাইকারকে নিয়েই বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ আটের টিকিটের লড়াইয়ে নামবে স্বাগতিকদের অন্যতম প্রতিনিধি।











