এদিন অবশ্য টসের কয়েনটা পাকিস্তানের পক্ষেই পড়েছিল। তবে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় তারা। আর এটাই মূলত কাল হয়ে দাঁড়াল।
প্রথম দিকে পাকিস্তানই লাগামটা টেনে ধরে। ৩১ রানের ব্যবধানে দুই ওপেনারের যবনিকা পতন ঘটে। একটা শঙ্কার মেঘ ঘনীভূত হয়। সেখান থেকে আলোকবর্তিকা হয়ে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে বিপর্যয়ের মেঘ সরিয়ে দেওয়ার কাজে লেগে পড়েন।

১৭০ রানের জুটি আসে তাদের থেকে, ওটাই ভিত নড়িয়ে দেয় পাকিস্তানের। শান্তর কাছে ধরা দেয় টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম শতক। এরপর অবশ্য টিকে থাকতে পারেননি। ১০১ রানেই থামে কাপ্তানের অনবদ্য ইনিংস।
মুমিনুল অবশ্য উইকেটে রীতিমতো পড়ে ছিলেন। টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্য ধরা দিয়েছিল তাঁর ব্যাটে। তবে শেষবেলায় এসে মনোসংযোগ ধরে রাখতে পারেননি। কাটা পড়েন ৯১ রানে এসে।
অভিজ্ঞতার পাহাড় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মুশফিকুর রহিমও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে। দিনশেষে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছেন ৪৮ রানে। আর প্রথম দিনশেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ চার উইকেট হারিয়ে ৩০১ রান। শুরুর দিনটা তাই বাংলাদেশেরই অনুকূলে।

Share via:










