যখন উইকেট দরকার বলটা বুমরাহকে দাও। ভারতীয় ক্রিকেটে এটা একপ্রকার প্রচলিত সত্য। বুমরাহ চাইলেই যেন উইকেট এনে দিতে পারেন যেকোনো সময়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট শিকার করে বুমরাহ সেই কথারই বাস্তব রূপ দিলেন।
ব্যাটারদের জন্য তিনি একপ্রকার আনপ্লেয়েবল। গতি, সুইং, এক্যুরেসি কিংবা ভয়ংকর ইয়র্কারে বিপক্ষ দলের জন্য তিনি আতঙ্কের নাম। ভারতের জন্য এক আশীর্বাদের নাম।
জ্যাক ক্রলিকে দিয়ে শুরু করেছিলেন, এরপর বেন ডাকেট এবং জো রুটকে তিনিই ফেরান। ইংলিশ ব্যাটিং অর্ডারের প্রথম তিন উইকেট তখন তার ঝুলিতে। তাতেও ক্ষান্ত হননি তিনি, ক্রিস ওকস এবং জশ টংকে ফিরিয়ে ষোলোকলা পূর্ণ করেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট শিকার করে তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৪তম ফাইফার। সেই সঙ্গে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটি তাঁর ১০ম পাঁচ উইকেট শিকার—যা সংখ্যার হিসেবে ছুঁয়ে ফেলেছে কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরালিধরনকে। পাশাপাশি সেনা দেশগুলোতে বুমরাহর উইকেট সংখ্যা এখন ১৫০, আর এই মাইলফলক ছোঁয়া প্রথম এশিয়ান পেসারও এখন তিনি।
সবাইকে ছাপিয়ে জাসপ্রিত বুমরাহ নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য এক উচ্চতায়। যেখানে কেবল তিনিই আছেন। স্পিন ফ্রেন্ডলি উইকেট হোক কিংবা কঠিন কোনো কন্ডিশন—বুমরাহ সবখানেই যেন সমান। উইকেট পড়ছে না, ব্যাটার সেট হয়ে গেছে, চিন্তা নেই দলে যে বুমরাহ আছেন। এমন করে দলের ভরসা হতে কজনই বা পারে!
ভারতীয় ডেরায় বুমরাহ একটা আস্থার নাম, একটা অবিশ্বাস্যরকম বিশ্বাসের নাম। পরিস্থিতি যাই হোক, সবটাই যেন তার ইচ্ছেমতো হয়। এ কারণেই হয়তো বুমরাহ সময়ের সেরা, বুমরাহ সবার সেরা।












