নির্বাসন যদি এমন হয় তবে নির্বাসনই ভাল। কাজ মিরপুরে করুন কিংবা ঢাকার বাইরে গামিনি ডি সিলভার মেয়াদ বাড়ল আরও এক বছর। তাঁর জন্য আগের সুযোগ-সুবিধা বজায় রেখেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মানে, টাকার সাগরে আরও এক বছর ‘ভাসবেন’ মিরপুরের এই বিতর্কিত লঙ্কান কিউরেটর!
মিরপুর শেরে-বাংলা স্টেডিয়ামের পিচ নিয়ে যতই বিতর্ক থাকুক, বিসিবি এবারও আস্থা রেখেছে সেই পুরোনো মুখেই। শ্রীলঙ্কার গামিনি ডি সিলভার সঙ্গে আরও এক বছরের চুক্তি নবায়ন করেছে বোর্ড। শোনা গিয়েছিল, তাঁকে নির্বাসনে পাঠানো হবে ঢাকার বাইরে – তবে, সেটা এখনও আলোর মুখ দেখেনি।
তবে, এবার বেতন বাড়েনি তাঁর। আগের মতোই মাসে ৪,৫০০ মার্কিন ডলার পাবেন। মানে বাংলাদেশে মূল্যমানে প্রায় ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তবুও যেভাবে বাড়তি সুযোগ-সুবিধা মিলছে, তাতে বলা যায়—শেষ এক বছরে গামিনি হয়ে উঠবেন ‘টাকার কুমির’।

তাঁর সুযোগ সুবিধা শুধু বেতনেই সীমাবদ্ধ নয়। বাসা ভাড়া হিসেবে মাসিক ৫৫,০০০ টাকা পান, মোবাইল বিল পান তিন হাজার টাকা। জ্বালানি ও চালক সুবিধাসহ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য একটা গাড়ি দেওয়া হয়েছে তাঁকে।
বছরে ৩০ দিনের ছুটি পান। সেই ছুটি কাটানোর জন্য বছরে বিমান ভাতা পান চার হাজার ডলার। চুক্তি বাতিল হলে তাঁকে, কমপক্ষে ৬০ দিনের নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক। বিসিবির লঙ্কান সিন্ডিকেটের অংশ তিনি, তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
এত সব সুবিধা মিলিয়ে গামিনির হাতে বছরে পড়ে যাচ্ছে প্রায় ৬০ লাখ টাকার বেশি! অথচ মিরপুরের পিচ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই—স্লো, লো বাউন্স, ব্যাটিং সহায়ক নয়, এমন অভিযোগ বহুদিনের। বোর্ডের বার্তা স্পষ্ট—সমালোচনা যাই হোক, গামিনিই তাদের ভরসার একমাত্র নাম।











