শেষ ওভারে ১০ রানের সমীকরণ মেলাতে পারলো না জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজার লড়াই থামিয়ে দিয়ে দিলশান মাধুশাঙ্কা এ যাত্রায় বাঁচিয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কাকে। সাত রানের এক পর্বতসমান আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো জিম্বাবুয়েকে।
হারারেতে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় স্বাগতিকরা। দলীয় নয় রানে নিশান মাদুশকা ফিরিয়ে সূচনাটা ভালই করেছিল জিম্বাবুয়ে। তবে বিপত্তি বাধে পাথুম নিশাঙ্কা আর কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে। দুজনের জুটি থেকে আসে ১০০ রান।
নিশাঙ্কা তুলে নেন ফিফটি, সাজঘরে যাওয়ার আগে করেন ৭৬ রান। মাঝের সময়টাতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বেশ বিপাকেই পড়ে তারা। তবে ঢাল হয়ে দাঁড়ান লিয়ানাগে এবং কামিন্দু মেন্ডিস। দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে ২৯৯ রানের বড় সংগ্রহ পায় শ্রীলঙ্কা। লিয়ানাগে খেলেন ৭০ রানের দুর্দান্ত এক নক।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা যত ভালো হওয়ার দরকার ছিল হলো তার বিপরীত। শূন্য রানেই দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের আশা শুরুতেই শেষ করে ফেলে স্বাগতিকরা। তবে শন উইলিয়ামস আর বেন কারানের দৃঢ়তায় বিপদ সাময়িকভাবে কেটে যায়। ১১৮ রানের জুটি গড়েন তারা।
তবে ৭০ করে কারান আর ব্যক্তিগত ৫৭ রানের মাথায় উইলিয়ামস ফিরে গেলে আঁধারে ঢাকা পড়ে জিম্বাবুয়ের সম্ভাবনা। আর সেখান থেকেই আলো জ্বালান সিকান্দার রাজা। এক পাশ আগলে রেখে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই চালাতে থাকেন।
একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল জিম্বাবুয়ে ম্যাচ সহজেই জিতে নেবে। শেষ দুই ওভারে তাদের দরকার ছিল ১৭ রান, আর শেষ ওভারে যা দাঁড়ায় ১০। ক্রিজে ৯২ রান করে তখনও আছেন রাজা।

তবে রাজার রাজত্বে আক্রমণ চালান দিলশান মাধুশাঙ্কা। শেষ ওভারের প্রথম বলে রাজাকে ফেরান, এরপর টানা দুই বলে দুই উইকেট। পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক। আর ওখানেই হেরে যায় জিম্বাবুয়ে, সঙ্গী হয় সাত রানের আক্ষেপ।
সব আলো কেড়ে নেন দিলশান মাধুশাঙ্কা, আর তাতেই যে রাজার স্মরণীয় এক ইনিংসের সমাপ্তিটা ঠিকঠাক হলো না। পরাজিতদের যে কেউ মনে রাখে না।










